অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ৩রা মে ২০২৬ | ২০শে বৈশাখ ১৪৩৩


বসন্ত বরণ ভালোবাসা দিবস আর সরস্বতী পূজা ঘিরে ভোলায় জমজমাট ফুল বাজার


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪ রাত ১০:৩১

remove_red_eye

২৭০

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : বসন্তের প্রথম দিন, ভালোবাসা দিবস আর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা। এ তিনটি উৎসবেই প্রধান অনুষঙ্গ ফুল। একই দিনে তিন উৎসব ঘিরে ভোলায় বুধবার  ফুল বাজারে রমরমা বেচা কেনা হয়। চাহিদা বাড়তি থাকায় আগেভাগেই শুরু হয়েছে ফুলের বেচাকেনা। এরই মধ্যে ফুলের দাম বেড়েছে কয়েক কগুণ। এরপরও উৎসব পালন আর প্রিয়জনসহ পরিবারের জন্য ফুল কিনতে ক্রেতারা ছুটছেন এক দোকান থেকে আরেক দোকানে।
জানাযায়,ঋতুরাজ বসন্তের আগমন, ভালোবাসা দিবস আর স্বরসতী পূজা উপলক্ষে ভোলায় একদিন আগে থেকে জমে উঠেছে ফুলের কেনাবেচা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ফুলের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের কমতি নেই। শহর জুড়েই যেন উৎসবের ঘনঘটা আর এই উৎসবের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে ‘ফুলের দোকানগুলো। ফুলের দোকানগুলোতেও শোভা পায় লাল গোলাপ, জুঁই, চামেলী, জারবেরা, রজনীগন্ধা, গাঁদাসহ নানা ধরনের ফুল। এসব ফুল দিয়ে চলছে বিভিন্ন ধরনের মালা গাঁথা, ফ্লাওয়ার রিং তৈরি ও কাগজ মোড়ানোর কাজ। গুরুত্বপূর্ণ তিনটি উৎসব একদিনে হওয়ায় কেনাবেচা জমে উঠেছে। তবে গত বছরের চেয়ে এবার ফুলের দাম বেশি বলছেন ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই। তাই বাড়তি দামে ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটলেও বছরের বিশেষ এই দিনে কিছুটা মনক্ষুণ্ণ ক্রেতারা। এরপরও প্রতিটি ফুলের দোকানের সামনেই রয়েছে ক্রেতাদের ভিড়। তরুণ-তরুণীদের পাশাপাশি সব বয়সী ক্রেতারা দরদাম করে নিজেদের পছন্দের ফুল কিনে নিয়ে যায়। আবার কেউ কেউ নিজ মাথার মাপ মতো বাহারি ফুল দিয়ে তৈরি করা ‘ফ্লাওয়ার রিং’ পরিয়ে নেয় । ক্রেতারা বলেছেন, ফুলের দাম চড়া হলেও প্রিয়জনসহ পরিবারের জন্য ফুল কিনছেন তারা।
আর ফুল ব্যবসায়ী সমাজসেবক ভোলা বিয়ে বাজারের কর্ণধার মনিরুল ইসলাম বলেন, এবছর ফুলের পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় বেশি দামে ফুল বিক্রি করতে হচ্ছে। আমাদের মূল লক্ষ্য মানুষের ফুলের চাহিদা পূরণ করা। তাই ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করতে পেরে খুশি বিক্রেতারা।