অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ৪ঠা মে ২০২৬ | ২০শে বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্দ্যোগ নেয়া হবে


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২রা ফেব্রুয়ারি ২০২৪ রাত ১১:১২

remove_red_eye

৫৯৩

মলয় দে : ভোলায় ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে স্টেক হোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে ভোলা সার্কিট হাউসের হলরুমে জেলা প্রশাসন ও জলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন।
মতবিনিময় সভায় সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন বলেন, ভোলায় শুধু ইলিশ নয় ,নদীর পাঙ্গাস মাছেরও ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। পাঙ্গাস মাছের অনেক চাহিদা। পাঙ্গাসের পোনা গুলো রক্ষা করতে পারলে এর সুফল পাওয়া যাবে। তিনি আরো বলেন, এখানে মাছের যেমন উৎপাদনের সম্ভবনা রয়েছে,তেমনি পশু সম্পদেরও সম্ভবনা রয়েছে। ভোলা একটি সম্পদশালী এলাকা। ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে আমাদের সরকারির কিছু পলিসির কারনে। বর্তমান সরকার আসার পরে ইলিশ রক্ষার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ ও সুবিধা দিয়েছেন। ইলিশ উৎপাদনে প্রথম বাংলাদেশ। সাদু পাণির মাছ উৎপাদনের আমাদেও দেশ তৃতীয় স্থানে রয়েছে। ভোলায় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্দ্যোগ নেয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এ সময় ষবঅ থেকে  ভোলার ইলিশা,তুলাতুলি ও দৌলতখানে ৩টি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব দেয়া হয়।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বলেন, ভোলার অন্যান্য সম্পদের পাশাপাশি মহিষও একটি বড় সম্পদ। জলবায়ু উপযোগী হওয়ায় মহিষ উৎপাদনে এখনে ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে। ভোলার চরে মহিষের খাবার ঘাসের যোগান দিতে হবে।
তিনি আরো বলেন,সঠিক ভাবে জেলেদের তালিকা করা এবং তাদের কার্ড দিতে হবে। একই সাথে সঠিক সময়ে মৎস্য আইন রক্ষার জন্য মাছধরা নিষিদ্ধ সময়ের আগে চাল দিতে হবে।
ভোলা জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায়  উপস্থিত ছিলেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. আলমগীর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. হেমায়েত উদ্দিন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আবদুল মমিন টুলু,মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (বরিশাল বিভাগ) নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, প্রকল্প পরিচালক মোল্লা এমদাদুল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছাদুজ্জামান,ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদসহ র‌্যাব,কোস্টগার্ডসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন  ।
জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান তার বক্তব্যে বলেন,বাংলাদেশে মৎস্য সংরক্ষণের এক তৃতীয়াংশ ভোলা থেকে হচ্ছে। ভোলার বিস্তৃর্ন চরাঞ্চল রয়েছে। এখানে বিভিন্ন ধরনের পশু পালন করা হয়। এই বিষয় গুলো যদি আমরা বিশেষ ভাবে নজর দেই। তা হলে এক দিকে মৎস্য অন্য দিকে প্রাণি । এই দুইটির মিশনে ভোলার কাঙ্খিত অর্জন সম্ভব হতে পারে।
 সভায় উন্মুক্ত আলোচনা সভায় সাংবাদিক ছাড়াও মৎস্যজীবীরা অংশ নেন।