অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ৪ঠা মে ২০২৬ | ২০শে বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় ৩ দিন ব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব ও পিঠা মেলার উদ্বোধন


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯শে জানুয়ারী ২০২৪ রাত ১০:৫৫

remove_red_eye

৩৬৯

মলয় দে : ভোলায় আন্তঃ উপজেলা সাংস্কৃতিক উৎসব ও পিঠা মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে টাউন কমিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভাসানী মঞ্চে এ মেলার উদ্বোধন ঘোষনা করা হয়। পরে ফিতা কেটে জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক রিপন কুমার সাহা এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রসাশক আরিফুজ্জামান।  
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা যা তাই আমাদের সংস্কৃতি। গ্রাম বাংলার হাজার বছরের বাঙ্গালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য এ পিঠা উৎসব। এ ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির মাধ্যমে অপ সংস্কৃতি দূর হয়।তাই সুপ্ত ঐতিহ্যকে ধারন করে আবহমান বাংলার সংস্কৃতিকে প্রস্ফুটিত করতে হবে।শীতকালীন ফসল ঘরে ওঠার সাথে সাথে সাংস্কৃতিক উৎসব ও উৎসবমুখর পিঠা মেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তারই ধারাবাহিকতায় নারীদের অংশগ্রহনে এ পিঠা মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু, পুলিশ সুপার মোঃ মাহিদুজ্জামান বিপিএম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব।
এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে  বক্তব্য রাখেন,সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, মনপুরা উপজেলা চেয়ারম্যান সেলিনা আক্তার চৌধুরী, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সজল চন্দ্র শীল, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকিব, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার দোস্ত মাহমুদ, ডেপুটি কমান্ডার শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
এসময় আরো ভোলা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল ইসলাম সহ বিভিন্ন দপ্তরের  প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
৩ দিন ব্যাপী এ মেলায় পিঠা ও বই মিলিয়ে ২০টির বেশী স্টল অংশ নেয়।পিঠার স্টল গুলোতে মুখরোচক বিভিন্ন ধরনের পিঠা দেখা যায়।মুখোরোচক ও গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী এ পিঠার স্বাদ গ্রহণ করতে মেলায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীর লক্ষ্য করা যায়। সন্ধ্যায় মেলা প্রাঙ্গনে ভাসানী মঞ্চে জেলা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাংস্কৃতিক কর্মীরা বিভিন্ন ধরনের গান, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করেন।
এমেলা ২৯ শে জানুয়ারী থেকে ৩১শে তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল থেকে শুরু হয়ে চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।