অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ৪ঠা মে ২০২৬ | ২১শে বৈশাখ ১৪৩৩


আগামীকাল মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আছাদুজ্জামান এমপি’র ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪শে ডিসেম্বর ২০২৩ সন্ধ্যা ০৭:০৮

remove_red_eye

২০৪

আগামীকাল ২৫ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সংসদ সদস্য আছাদুজ্জামানের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী।
তিনি মাগুরা থেকে ৪ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পাশাপাশি তিনি ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় পার্লামেন্টারী বোর্ডের সচিব।
জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ কুমার কুন্ডু জানান, দিবসটি পালন উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আগামীকাল সোমবার সকালে শহরের ভায়না পৌর কবরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারতসহ স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা আছাদুজ্জামান মিলনায়তনে  স্মরণ সভা, দোয়া মাহফিল ও শহীদ সৈয়দ আতরআলী গণগ্রন্থাগার মিলনায়তনে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া তার নিজ গ্রাম মহম্মদপুর উপজেলার মৌলভী জোকা গ্রামে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।  
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠক ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের তৎকালীন মাগুরা মহকুমা সর্বদলীয়  সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক ছিলেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি পুর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের এমপি  নির্বাচিত হন। এছাড়া মাগুরা-২ আসন থেকে ১৯৭৯, ১৯৮৬ এবং ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি শ্রেষ্ঠ তরুণ পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবে জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর বর্ষিয়ান এই রাজনীতিবিদের মৃত্যু হয়। ১৯৩৫ সালের ১১ নভেম্বর মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার মৌলভী জোকা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫৪ সালে ছাত্রজীবনে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। ১৯৬১ সালে তিনি মাগুরা বারে আইনজীবী হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৬২’র ছাত্র আন্দোলন, ৬৬’র ছয় দফা আন্দোলন, ৬৯’র গণ-অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন আন্দোলনে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর সংস্পর্শে আসেন। ১৯৬৫ সালে তিনি মাগুরা মহকুমা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭৬ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

সুত্র বাসস