অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ১৪ই মে ২০২৬ | ৩১শে বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় শীতকালীন সবজি উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ১ লাখ ৪৩ হাজার মে:টন


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫ই নভেম্বর ২০১৯ রাত ১০:০৬

remove_red_eye

৭৫৫

হাসনাইন আহম্মেদ মুন্না : ভোলার ৭ উপজেলায় চলতি রবি মৌসুমের ১ লাখ ৪৩ হাজার ১৪৩ মে:টন শীতকালীন সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া সবিজি আবাদের টার্গেট ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৬২৭ হেক্টর জমিতে। প্রতিবছরই এই জেলায় সবজির বাম্পার ফলন হয়। তাই শেষ পর্যন্ত আবাহাওয়া অনুক’লে থাকলে এবারও ব্যাপক সবজি আবাদের আশা করছে কৃষি বিভাগ। ইতোমধ্যে দেড় হাজার হেক্টর জমিতে সবজি আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে আবাদ আরো বাড়বে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।
কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, জেলায় অক্টোবরের শেষ দিকে সবজির আবাদ শুরু হয়। প্রকৃতিগত ভাবেই এখানে একটু দেরিতে ফলন হয়। কারন এখানে বছরের শেষ দিকেও বৃষ্টিপাত হয়। ফলে পানি নামতে দেরি ও জমিন সুস্ক করতে সময় লাগে। তবে দেরিতে আবাদ হলেও জমি উর্বর হওয়ায় ফলন ভালো হয়। আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত এখানে সবজির আবাদ চলবে বলে সূত্র জানায়।
এসব সবজির মধ্যে রয়েছে, লাল শাক, মূলা, পালং শাক, টমেটো, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, শষা, সীম, মিষ্টি কুমোর, পেঁপে, করলা, কাচা কলা, দুন্দুল, বরবটি, ধনে পাতা ইত্যাদী।
সদর উপজেলার ধনীয়া গ্রামের কৃষক আলী আসরাফ, ফরিদউদ্দিন ও রহমত আলী বলেন, তারা প্রায় ২ একর জমিতে লাল শাক, মূলা, সীম ও ফুলকপি আবাদ করছেন। কৃষি বিভাগ থেকে সব ধরনের পরামর্শ সেবা পাচ্ছেন। বর্তমানে সবজি চারা রোপনে ব্যস্ত রয়েছেন তারা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিনয় কৃষœ দেবনাথ বলেন, গত বছর জেলায় শীতকালীন সবজির আবাদ হয়েছিলো ১২ হাজার ৪৫১ হেক্টর জমিতে আর উৎপাদন হয়েছিলো ৫ লাখ ৫২ হাজার ৮৫২ মে:টন। যা আবাদ ও উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চাইতে অনেক বেশি। সেমতে এবারও আশা রয়েছে অধিক ফলনের। সবজির জন্য প্রচুর ডিএপই সার প্রয়োজন হয়। আমাদের কাছে তার পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। কাজেই কৃষকদের কোন সমস্যা হবেনা। এছাড়া মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা কৃষকদের সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান তিনি।