অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ৪ঠা মে ২০২৬ | ২১শে বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় মাসব্যাপী শিশু ও পণ্য প্রদর্শনী মেলার উদ্বোধন


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫শে নভেম্বর ২০২৩ সন্ধ্যা ০৭:৪০

remove_red_eye

৪৯৮

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলায় শুরু হলো মাসব্যাপী শিশু ও পণ্য প্রদর্শনী মেলা। শনিবার সকালে জেলা পরিষদ ড্রিমল্যান্ড শিশু পার্কে বেলুন উড়িয়ে এ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
জেলা পরিষদ ড্রিমল্যান্ড শিশু পার্কের আয়োজনে মেলার উদ্বোধন শেষে ভোলা সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোশারেফ হোসেন এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রিপন কুমার সাহা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সার্বিক মোঃ মামুন অর রশিদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার মোঃ সফিকুল ইসলাম, ভোলা প্রেসক্লাব সভাপতি ও দৈনিক বাংলার কণ্ঠের সম্পাদক এম.হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
এসময় বক্তারা জানান, শিশুদের জন্য এমন  আয়োজন ভোলায় এই প্রথম। এমন আয়োজন শিশুদের মেধা বিকাশে  বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন।
অনুষ্ঠানে  সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুস, দৈনিক আজকের ভোলার সম্পাদক মোঃ শওকাত হোসেন, প্রেসক্লাব সম্পাদক অমিতাভ অপু, তাঁত শিল্প ফেডারেশনের সহসভাপতি মোঃ নাজিম উদ্দিন  সহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন শিল্পী তালহা তালুকদার বাঁধন।


এদিকে মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৪০টি প্রতিষ্ঠান দেশীয় পণ্য প্রদর্শণ করছে। এ ছাড়া শিশুদের জন্য বসানো হয়েছে ড্রাগণ ট্রেন, নাগরদোলা, ওয়াটার বল, ¯িøপার ,  দোলনা নৌকা, হানিসিঙ্ক, ডরমিন ট্রেন, ভূতের বাড়ি, নৌকা বাইস। রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা মঞ্চ।  সবুজ গাছের রোদ ছায়ায় শিশুদের ছুটে বেড়ানো মেলার আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। পরীক্ষা শেষ হওয়ায় শিশুদের নিয়ে অভিভাবকরাও ছুটে আসেন । মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ক্রিয়েটিভ কিন্ডার গার্টেনসহ কয়েকটি স্কুলের দুই শতাধিক শিশু অংশ নেয় । শিশুরা সকাল থেকে মেলার প্রাঙ্গন মুখরিত করে তোলে। তাদের জন্য ছিল সকল রাইডস ফ্রি। এমন আয়োজনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ক্রিয়েটিভ কিন্ডার গার্টেনের প্রধান শিক্ষক  মোঃ হাবিবুর রহমান। একইভাবে অভিভাবক এ্যাডভোকেট শংকর গাঙ্গুলী জানান, ভোলায় শিশুদের জন্য শিশু মেলা এবারই প্রথম হচ্ছে। শিশুরা মেলায় এসে বেজায় খুশি। তারা কখনও ট্রেনে চড়ছে। কখনও নাগর দোলায় দোল খাচ্ছে। এমন ব্যতিক্রম আয়োজন প্রশংসার দাবি রাখে। এ ছাড়া মেলায় দেশীয় পণ্য ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে।