অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ৫ই মে ২০২৬ | ২১শে বৈশাখ ১৪৩৩


বিদেশে বসে গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দেশে মামলা হচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১শে নভেম্বর ২০২৩ বিকাল ০৫:৫৬

remove_red_eye

২৬১

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী  এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিদেশে বসে গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দেশে মামলা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘দেশের বিরুদ্ধে গুজব রটনার জন্য যদি একটি রাজনৈতিক দল  রটনাকারীদের পয়সা দেয়, এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না। যারা এ ধরণের গুজব রটায় তাদেরকে আমরা চিহ্নিত করেছি এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অনেক জায়গায় তাদের ব্যাপারে নোটিফাই করা হয়েছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী সেখানে মামলা করার জন্য আমাদের দলের লোকদেরকে বলা হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকেও সে সব দেশের কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’ 
মন্ত্রী আজ দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতর সম্মেলন কক্ষে অধিদফতরের গুজব প্রতিরোধ সেল এবং ফ্যাক্টস চেকিং কমিটির সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে  এ সব কথা বলেন। প্রধান তথ্য অফিসার মোঃ শাহেনুর মিয়াও সভায় বক্তব্য রাখেন। সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো. আবদুল জলিলের উপস্থিতিতে উপপ্রধান তথ্য অফিসার নাসরীন জাহান লিপি এবং তথ্য অফিসার গাজী শরীফা ইয়াছমিন গুজব প্রতিরোধ ও ফ্যাক্টস চেকিং বিষয়ে অধিদফতরের কার্যাদি উপস্থাপন করেন।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশ থেকে যে এ ধরণের গুজব ছড়ানো হয় সেগুলোর ব্যাপারে আমরা ওয়াকিবহাল এবং আগের তুলনায় সেটি কমেছে। আপনারা দেখেছেন, এই গুজব ছড়ানোর জন্য বিএনপি এবং জামায়াত তাদের যে সব পেইড এজেন্টদেরকে ঠিক মতো পয়সা দেয়নি, সেই প্রেক্ষিতে যারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তাদের অডিও ভাইরাল হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রবাসী বাংলাদেশিরা কয়েক জায়গায় মামলাও করেছে। তাই কেউ যদি মনে করে যে বিদেশে বসে বসে গুজব রটাবে আর সে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকবে সেটি কিন্তু নয়।’  
এখন নির্বাচন নিয়েও অনেক গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করা হবে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘করোনার টিকার বিরুদ্ধে এবং পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় গুজবের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকার জন্য মূলধারার গণমাধ্যমকে আমি ধন্যবাদ জানাই। সাংবাদিকদের অনুরোধ করবো, আগে যেমন আপনারা জাতির প্রয়োজনের নিরিখে এবং করোনার সময়েও যেভাবে কাজ করেছেন এখন নির্বাচনকে সামনে রেখে যাতে কেউ গুজব ছড়াতে না পারে, অপপ্রচার করতে না পারে, সে জন্য আপনারা আগের মতোই গুজবের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবেন, সেটিই আমার প্রত্যাশা। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজবের বিরুদ্ধে যদি “কাউন্টার পোস্ট” দেয়া হয় তাহলে গুজব সহজে ছড়াবে না। এ জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন।’
এর আগে তথ্যমন্ত্রী তথ্য অধিদফতরের গুজব প্রতিরোধ ও ফ্যাক্টস চেকিং কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং কাজের মান ও পরিমাণ বৃদ্ধির পরামর্শ দেন। উল্লেখ্য, ২০১৮ থেকে পরিচালিত এ কার্যক্রমের অধিনে ৭৩টি তথ্য বিবরণী, ৩৭টি আইকনোটেক্সট এবং ৪টি ভিডিও তথ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইটের ফ্যাক্ট চেকিং সেবা বক্স, ফেইসবুক পাতা দপিআইডি' এবং দপিআইডি বিডি' এবং ইউটিউব দপিআইডি বাংলাদেশ' চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়েছে।

সুত্র বাসস