অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১৫ই জুন ২০২৪ | ১লা আষাঢ় ১৪৩১


ভোলার ইলিশায় শহর রক্ষা ব্লকবাঁধে ধস, ঠেকাতে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোড


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৩ রাত ১০:১১

remove_red_eye

২৬৫

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : মেঘনার তীব্র ¯্রােতের আঘাতে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটের প্রায় ৭০ মিটার এলাকার বøকবাঁধে ধস দেখা দিয়েছে। দুই দিনের ¯্রােতে ধসে গেছে বাঁধের চার লেয়ার বøক ও ৫ লেয়ার বালুভর্তি জিও ব্যাগ। এতে হুমকির মুখে পড়েছে ভোলা শহররক্ষা বাঁধ, ইলিশা লঞ্চ ও ফেরিঘাট সহ ৩টি ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এদিকে ধসের শুরুতেই পানি উন্নয়ন বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলে ধস রোধে চেস্টা চালাচ্ছে।  
বুধবার সকাল হর্ঠাৎ করেই ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটের দক্ষিণ পাশে দুটি স্থানে ৪৫ মিটার ও ২৫ মিটার সিসি বøকে ধস দেখা দেয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, উজান থেকে নেমে আসা পানির তীব্র ¯্রােতের কারণে ওই দুটি স্থানের নিচ থেকে সিসি বøক ও জিও ব্যাগ ধেবে যায়। ¯্রােতের তীব্রতা বড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে সিসি বøক ধসের পরিমানও। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত চার লেয়ার সিসি বøক ও  পাঁচ লেয়ার বালু ভর্তি জিওব্যাগ ধসে যাওয়ায় হুমকির মুখে পড়ে ভোলা শহর রক্ষা বাঁধের ইলিশা অংশ। বøক ধসের স্থান থেকে বেড়িবাঁধের দূরত্ব মাত্র ১৫ ফিট হওয়ায় ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছে ইলিশাসহ উত্তর ভোলার ৩ ইউনিয়নের বাসিন্দারা। বড় ধরনের ক্ষয় ক্ষতি এড়াতে ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তাদের।
ইলিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ছোটন জানান, ধস দেখা দেওয়া বøাকবাঁধ থেকে বেড়িবাঁধের দূরত্ব ১০ থেকে ১৫ ফুট। তাৎক্ষণিক এই ধস ঠেকাতে না পারলে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তিনি।  
এদিকে মূল বাঁধের ধস ঠেকাতে বৃহস্পতিবার প্রথম দিনেই বালুভর্তি ১২ হাজার জিওব্যাগ ডাম্পিং করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, ধস ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত ঝুঁকি থাকবে ততক্ষণি জিওব্যাগ ডাম্পিং করা করা হবে। পরবর্তী শুস্ক মৌসুমে স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।  
মেঘনার ভাঙন থেকে রক্ষায় ২০২১ সালে ৩৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ভোলার ইলিশা ও রাজাপুরে ৪ কিলোমিটার এলাকায় বøক বাঁধ স্থাপন করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। কাজ শেষ হওয়ার দুই বছরের মধ্যে  ইলিশা ঘাট এলাকায় ৭০ মিটার বøক বাঁধে ধস দেখা দেয়।