ভোলা, মঙ্গলবার, ৩১শে মার্চ ২০২০ | ১৭ই চৈত্র ১৪২৬

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক


১৭ই মার্চ ২০২০ রাত ১১:৪৯




ভোলার এক যুবককে করোনা সন্দেহে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি

ভোলা জেলা





বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলায় করোনা আক্রান্ত কোন রোগী পাওয়া না গেলেও করোনা সন্দেহে রাসেল (২৮) নামে ভোলার এক যুবককে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বেলা সোয়া ৩টার দিকে তাকে হাসপাতালে সদ্য চালু করা করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে ভোলায় দিন দিন বাড়ছে বিদেশ থেকে আসা ঝুঁকিতে থাকা প্রবাসী ও তার পরিবারের সদস্যদের সংখ্যা।  নতুন আরো ৪ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এরা সকলেই চরফ্যাশন উপজেলার বাসিন্দা। এ নিয়ে গত ৪ দিনে ভোলায়  হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হলো ১০ জনকে। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে ৩ জন ভোলা সদর, ১ জন দৌলতখান ও ৪ জন চরফ্যাশনসহ ১০জন বিভিন্ন উপজেলাতে রয়েছে বলে জানা গেছে।  মঙ্গলবার ভোলার স্বাস্থ্য বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বরিশাল হাসপাতাল সূত্রে জানাগেছে, রাসেল নামের ওই যুবক ভোলা সদরের চন্দ্রপ্রসাদ এলাকার মাসুদ মোল্লার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন চট্টগ্রামে ছিলেন। সেখানে ট্রাক চালাতেন। শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন ওই রোগীর বরাত দিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে তার শরীরে জ্বর ও কাঁশি লেগে রয়েছে। ইতিপূর্বে ডাক্তারও দেখিয়েছেন। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার কোন উন্নতি হয়নি।এ কারনে সে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে ধারনা করে মঙ্গলবার বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন। তবে এখনো তার শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা স¤পন্ন হয়নি।পরীক্ষা নিরীক্ষার পরে রিপোর্ট দেখে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল পরিচালক ডা. বাকির হোসেন।

এদিকে ভোলার সিভিল সার্জন রতন কুমার ঢালী সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার সকালে জ্বর, সর্দি ও কাশি নিয়ে কাতার ফেরত এক প্রবাসীসহ ওই পরিবারের ৪ সদস্য চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসলে তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ  দেয়া হয়। বিদেশ থেকে আসা ৭ জন এবং তাদের সংস্পর্শে আসা ৩ জনকে স্বাস্থ্য বিভাগ হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার পাশাপাশি তাদের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। এদেরকে আগামী ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। তিনি আরো জানান, করোনা মোকাবেলায় সদর হাসপাতালে ২০ শয্যার আলাদা আইসোলেশন ইউনিট খেলা হয়েছে। যে সকল রোগী জ্বর, সর্দি, গলা ব্যাথা নিয়ে হাসপাতালের দ্বারস্থ হবেন, তাদেরকে আলাদা স্ক্যানিং করার জন্য হাসপাতালে করোনা স্ক্যানিং সেন্টার খেলা হয়েছে। সেখানে সার্বক্ষণিক একজন ডাক্তার নিয়োজিত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া অন্যান্য উপজেলা গুলোতেও একই ভাবে আইসোলেশন ইউনিট খোলা হয়েছে।