ঢাকা, বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে জানুয়ারী ২০২০ | ১০ই মাঘ ১৪২৬

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক


১৩ই জানুয়ারী ২০২০ রাত ০৯:৩১

চরফ্যাসনে ড্রেজার দিয়ে ফসলী জমি খননের অভিযোগ

ভোলা সদর


চরফ্যাসন প্রতিনিধি : চরফ্যাসনে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ওয়ারিশি সম্পত্তি বুঝ না দিয়ে নিজেদের দখলে রেখে ফসলি জমির মাটি ড্রেজার মালিকদের কাছে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ড্রেজার মালিকরা ফসলি ওই জমির মাটি ড্রেজারের মাধ্যমে কেটে অন্যত্র নিয়ে ফসলি জমি নষ্ট করায়  সোরা গাজীর ওয়ারিশদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। এঘটনায় সোরা গাজীর জামাতা নুর মোহাম্মদ বাদী হয়ে অধ্যক্ষ ইউনুছ শরীফ গংদের বিরুদ্ধে  চরফ্যাসন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সোরাগাজীর জামাতা নুরমোহাম্মদ ওরফে নুরমোহাম্মদ সেক্রেটারী অভিযোগ করে বলেন, ওছমানগঞ্জ মৌজার, ৬৬নং জেএল ভুক্ত  এসএ ৩৪৫ নং খতিয়ানের ২২১৫নং দাগে আমার শশুড়ের মালিকানাধীন ১একর ৫১শতাংশ জমি আমার স্ত্রীসহ তার ৪কন্যাকে তাদের চাচাতো ভাই অধ্যক্ষ ইউনুছ শরীফ গংরা দখল না দিয়ে ওই জমি অবৈধ ভাবে ভোগদখল করছেন। গত কিছুদিন যাবত তারা ওই জমির মাটি ড্রেজার মালিকদের কাছে বিক্রি করেন। ড্রেজার মালিকরা ওই জমির মাটি ড্রেজারের মাধ্যমে অন্যত্রে নিয়ে জমিতে গভীর খনন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং ফসলি জমি নষ্ট করছে । এঘটনায় আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। গতকাল সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গেলে ওই জমির পার্শ্ববর্তী নাছিমের স্ত্রী রানু বিবি অভিযোগ করে বলেন, বিগত ৩বছর আগে ইউনুছ শরীফ গংরা আমাদের ফসলি ৬শতাংশ জমির মাটি কেটে ড্রেজারের মাধ্যমে অন্যত্রে নিয়ে গেছে। ওই সময় জমির ক্ষতিপুরন বাবদ ১৫হাজার টাকা এবং তাদের মালিকানাধীন ৬শতাংশ জমি আমাদেরকে দলিল করে দেয়ার কথা থাকলেও আজো তা দেননি। এসময় জমি সংলগ্ন প্রতিবেশী  ওলি উল্যাহ হেকিমের পুত্র বধু বিবি রাহিমা জানান, অধ্যক্ষ ইউনুছ শরীফ গংরা আমাদের দীর্ঘ ৩০/৩৫বছরের বাড়ির চলাচলের রাস্তা কেটে ফেলেছে এখন আমরা কিভাবে চলাচল করবো।
এবিষয়ে অধ্যক্ষ ইউনুছ শরীফ বলেন,আমরা ওসমানগঞ্জের মৌলভী আনছারুল হকের ছেলে মাওলানা আ.ওয়াদুদের নিকট থেকে ৮৪শতাংশ জমি খরিদ করে ওই জমির মাটি বিক্রি করেছি, যাহা ড্রেজার দিয়ে কাটা হচ্ছে। সোরা গাজীর ওয়ারিশদের জমি অবৈধ ভাবে দখলে রেখে মাটি বিক্রি বা কাটার অভিযোগ সঠিক নয়।
চরফ্যাসন থানার ওসি মো. শামসুল আরেফিন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে দুপক্ষকেই থানায় ডাকা হয়েছে।