অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল ২০২৫ | ২০শে চৈত্র ১৪৩১


দৌলতখানে গৃহবধু লাইজুর হত্যার বিচারের দাবীতে বিক্ষোভে


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৭ই জানুয়ারী ২০২০ রাত ০২:২০

remove_red_eye

৮০৫



দৌলতখান প্রতিনিধি : ভোলার সদরের তুলাতুলি গ্রামের গৃহবধূ ও দৌলতখান মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেনীর মেধাবী ছাত্রী লাইজুর হত্যার ৫ দিনপরও কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি। এদিকে আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় বিচারের দাবীতে  দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করে করেছে শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুরে দৌলতখান আবু আব্দুল্লাহ কলেজের প্রায় ৫ শতাধিন ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা ক্লাস বর্জন করে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে দৌলতখান বাজারের বিভিন্ন সড়কে পদক্ষিণ করে দুপুরের দিকে কলেজের সামনে মানববন্ধন করে। এসময় বক্তব্য রাখেন দৌলতখান সরকারি আবু আব্দুল্লাহ কলেজের অধ্যক্ষ শ ম ফারুক, কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী শোভন, জাহিদুল ইসলাম, সানজিদুল হাসান, মো. মিরাজ ও আবদুল করিম প্রমূখ।
এসময় বক্তারা বলেন, দৌলতখান মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী লাইজু আক্তারকে গত বৃহষ্পতিবার নির্যাতন করে হত্যা করে তার স্বামী তানজিল ও শ^শুর বাড়ির লোকজন। তারা তাকে হত্য করে লাশ একটি রুমে কম্বল পেচিয়ে রেখে সবাই পালিয়ে যায়। আমরা এ হত্যা কান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সেই সাথে লাইজু আক্তারের হত্যার  পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও হত্যার সাথে জড়িত কোনো আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় আমরা এ বিচার নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছি। তাই দ্রæত লাইজুর আক্তারের মাদকাসক্ত স্বামী তানজিলসহ মামলার সকল আসামীকে দ্রæত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান। দ্রæত সময়ের মধ্যে মামলার সকল আসামীদেও গ্রেফতার করা না হলে পরবর্তীতে আরো কঠোর আন্দোলনের হুসিয়ারি দেন বক্তারা। গতকাল রবিবারও দৌলতখান মহিলা কলেজের উদ্দ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।
উল্লেখ্য, দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. মোসারেফ হোসেন ওরফে মসু সিকদারের মেয়ে ও দৌলতখান মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীর সাথে প্রেম করে বিয়ে করে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের তরিকুল ইসলামের ছেলে তানজিলের সাথে। বিয়ের কিছু দিন না যেতেই তানজিল মাদকাসক্ত হয়ে বিভিন্ন সময়ে লাইজুকে মারধর করতো। সর্বশেষ গত বৃহষ্পতিবার দিবাগত রাতে পুলিশ তানজিলের বাড়ি থেকে লাইজুর লাশ উদ্ধার করে। এঘটনায় শুক্রবার রাতে লাইজুর বড় ভাই ইসমাইল বাদি হয়ে তানজিলকে প্রধান আসামী করে মোট সাত জনের বিরুদ্ধে ভোলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলার পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও কোনো আসামী গ্রেফতার হয়নি। ভোলা থানার ওসি মো. এনায়েত হোসেন সাংবাদিকদের জানান, আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালাছে।





আরও...