অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ২৫শে মাঘ ১৪২৯


চরফ্যাশনে ইত্তেফাক সাংবাদিককে হত্যার হুমকির দুদিনেও আটক হয়নি অভিযুক্ত


চরফ্যাসন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩রা জানুয়ারী ২০২৩ রাত ০৯:৪২

remove_red_eye

২৫

চরফ্যাশন প্রতিনিধি: সংবাদ প্রকাশের জের ধরে দৈনিক ইত্তেফাকের চরফ্যাশন উপজেলা সংবাদদাতা মিজানুর রহমান নয়নকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিয়েছে শাহিন নামের এক যুবক। সোমবার বিকেলে পেশাগত কাজ শেষে আমিনাবাদ ইউনিয়নের তালুকদার চৌমুহনী বাজারে পৌছলে অভিযুক্ত শাহিন তার মটর সাইকেলের গতিরোধ করে তাকে রাস্তায় আটকে হত্যার হুমকি দেয়। শাহিন আমিনাবাদ ৭নম্বর ওয়ার্ডস্থ আলিয়া চৌমহনী এলাকার মো. হোসেন’র ছেলে। এঘটনায় সাংবাদিক মিজান বাদী হয়ে অভিযুক্ত যুবক শাহিনকে আসামী করে সোমবার সন্ধ্যায় চরফ্যাশন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ দায়েরের পর থেকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল চার টায় এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এবিষয়ে পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এবিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সাংবাদিক মিজানুর রহমান নয়ন’র দায়েরকৃত অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার ইউপি নির্বাচন শেষে শুক্রবার দুপুরের পর আমিনাবাদ ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিজয়ী মেম্বারের কর্মী সমর্থকরা পরাজিত মেম্বারের কর্মী সমর্থকদের বাড়ি ঘরে হামলা ভাংচুর এবং র্কর্মীদের মারধর করে। খবর পেয়ে চরফ্যাশন থানার ওসি’র নেতৃত্বে এক প্লাটুন পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এসময় পুলিশ নব নির্বাচিত মেম্বারসহ ৩জনকে আটক করে থানায় নেন। এসংবাদ ৩১ ডিসেম্বর দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত হয়। হামলার ঘটনায় জড়িত শাহিনের নাম পত্রিকায় প্রকাশ করায় ক্ষিপ্ত শাহিন মোটরসাকেল যোগে তাকে ধাওয়া করে গতিরোধ করে মোটরসাইকেল থেকে নামানোর চেষ্টা করে। এসময় ওই বাজারে অবস্থানরত রিয়াজ, ফিরোজ ও জাহাঙ্গীর এগিয়ে এলে আবার ঐ এলাকায় গেলে মা-বাবা ও পরিবার থেকে বিদায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দিয়ে শাহিন চলে যায়।
চরফ্যাশন থানার ওসি মো. মোরাদ হোসেন জানান, অভিযোগ পেয়েছি এবিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে ইত্তেফাক সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দেয়ার ঘটনায় তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযুক্ত শাহিনকে দ্রæত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন চরফ্যাশনে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিকের সাংবাদকর্মীরা।