বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৭ই অক্টোবর ২০২২ রাত ০৯:১৫
৪৭১
ইকরামুল আলম : ইলিশের প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের প্রথম দিনে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে কোনো জেলে নৌকা দেখা যায়নি। শুক্রবার সকাল থেকে ভোলার বিভিন্ন মাছঘাটগুলোতে সুনশান নিরবতা। মাছের আড়ৎগুলোও ছিল বন্ধ। এক দিন আগেও জেলে ও পাইকাদের হাকডাকে মুখরিত ছিল।
শুক্রবার সকাল থেকে ভোলার মেঘনা নদীর নাছির মাঝি, ভোলার খাল, কোড়ারহাট, ¯øুইজগেট, তুলাতুলি, ইলিশা মাছ ঘাটসহ বিভিন্ন মাছঘাট ঘুরে দেখা গেছে, নদীতে কোনো জেলে নৌকা নেই। জেলেরা ঘাটে বসে জাল ও নৌকা মেরামতে ব্যবস্ত সময় পার করছেন। আবার কেউ ঘাটে অলস সময় পার করছেন।
এসময় মো. ইসমাইল, নোমান লিটন মাঝি, নাসিম মাঝিসহ ১০-১৫জন জেলে জানান, সরকার ২২দিনের নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় তারা মাছ ধরার ট্রলার থেকে জাল ও অন্যান্য সরঞ্জাম তীরে তুলে রেখেছেন। এখন নষ্ট জাল মেরামত করে তাদের দিন কাটে। সরকারের নিষেধজ্ঞা মেনে তারা নদীতে যাওয়া থেকে বিরত রয়েছেন। কিন্তু তাদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ভিজিএফ চাল সঠিকভাবে পাওয়া নিয়ে তারা শঙ্কা প্রকাশ করেন। এছাড়াও এ ২২দিন সংসারের খরচ ও মানুষের ধারদেনা নিয়েও চিন্তিত তারা।
জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, ভোলায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযান বাস্তবায়নে প্রতিটি উপজেলায় পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের সমন্বয়ে তিন থেকে চারটি করে টিম নদীতে কাজ করছে। এছাড়াও প্রতিটি উপজেলার মাছঘাটগুলোতে তদারকির জন্য আলাদা সাতটি টিম গঠন করা হয়েছে। যাতে করে কোনো জেলে নৌকা বা ট্রলার নদীতে মাছ শিকারে যেতে না পারে।
মৎস্য কার্যালয় সূত্রে আরো জানা গেছে, ভোলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা এক লাখ ৫৭ হাজার। এর মধ্যে এক লাখ ৩২ হাজার জেলের জন্য ২২দিনের নিষেধাজ্ঞাকালিন সময়ে ২৫ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই জেলেদের কাছে বরাদ্দকৃত চাল পৌছানো হবে।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্যাহ জানান, মা রক্ষা অভিযানের প্রথম দিনে ভোলায় কোনো জেলে আটক হয়নি। নদীও ছিল জেলে শূণ্য। এ অভিযান শতভাগ বাস্তবায়নে সকল ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞাকালিন সময়ে জেলেদের কাছ থেকে এনজিও ও ব্যাংকের ঋণের কিস্তি না নেয়া হয় সে জন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এনজিও এবং ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ অভিযান সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে মাছের উৎপাদন কয়েকগুন বৃদ্ধি পাবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্যঃ ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় গতকাল ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২দিন ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় সকল ধরণের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞাকালিন সময়ে নদীতে কোনো ধরণের মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও পরিবহন আইনত দন্ডনীয়। এ আইন অমান্যকারীকে কমপক্ষে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদÐ অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দÐে দÐিত করা হবে।
জিজেইউএসের মাঠকর্মীদের সতেজীকরণ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন
চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নবজাতক শিশু রেখে চলে গেলেন মা
মানুষের সমর্থন পেয়েছি, এখন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পালা: প্রধানমন্ত্রী
নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সহযোগিতায় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বিএনপিসহ দলের তিন অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী
কলেজ শিক্ষার্থী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী
কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার লাইফ সাপোর্টে
দরকষাকষিতে ঝুলে আছে বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রিত্ব
দেশের ক্ষতি হলে নীরবে বসে থাকব না: জামায়াত আমির
সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫০,১১১ বাংলাদেশি হজযাত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক