অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২২শে মে ২০২২ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯


ভোলায় কমিউনিটি ভলান্টিয়ারদের দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ই মে ২০২২ বিকাল ০৩:৪৮

remove_red_eye

৮৪

এম শরীফ আহমেদ।।কোভিড-১৯ প্রতিরোধের ঝুঁকি যোগাযোগ, সমাজের সম্পৃক্ততা এবং টিকা গ্রহণে  উদ্ধুদ্ধকরণ করার লক্ষ্যে "দি হাঙ্গার প্রজেক্ট"এর কমিউনিটি ভলান্টিয়ারদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার(০৯মে) ভোলা সদরের চরনোয়াবাদে গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার মিলনায়তনে "ইউনিসেফ" এর সহযোগিতায় এবং "দি হাঙ্গার প্রজেক্ট" এর বাস্তবায়নে এ ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়।
 
এতে ভোলার ৬টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৩৫জন কমিউনিটি ভলান্টিয়ার অংশগ্রহণ করে।
জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হওয়া ওরিয়েন্টেশনটি চলে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। 
ওরিয়েন্টেশনটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন,ভোলা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মনিরুজ্জামান আহমেদ। 
 
এ সময় উপস্থিত ছিলেন,  "দি হাঙ্গার প্রজেক্ট" এর বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মেহের আফরোজ মিতা,সুশাসনের জন্য নাগরিক(সুজন) এর ভোলা জেলা সভাপতি মোবাশ্বির উল্ল্যাহ চৌধুরী, "রেডিও মেঘনার" স্টেশন ম্যানেজার রাশিদা বেগম,"দি হাঙ্গার প্রজেক্ট" এর সহকারী প্রোগ্রাম অফিসার মাহাদী হাসান তানভীর,হিসাব কর্মকর্তা আবদুল কাদের,ভোলা জেলা সমন্বয়কারী মোঃ আশরাফুদ্দিন(মামুন), ইনফরমেশন সার্ভিস প্রোভাইডর এম শরীফ আহমেদ প্রমূখ। 
 
"দি হাঙ্গার প্রজেক্ট" এর বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মেহের আফরোজা (মিতা) প্রকল্প সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে বলেন, টিকা দেওয়ার জন্য বহু ক্যাম্পেইন এবং সুযোগ করে দেওয়ার ফলেও সাধারণ  জনগণের একটি অংশ এখনো টীকা গ্রহণ করেনি।এমন জনগনকে উদ্ধুদ্ধ করে টীকা প্রদানকারীদের সাথে সম্পৃক্ত করে দেওয়াই হচ্ছে এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।পাশাপাশি গর্ভকালীন মায়েদের স্বাস্থ্য সেবা এবং শিশুদের স্বাস্থ্যসেবাসহ অন্যান্য মহামারীর আক্রান্ত হতে মুক্তি পেতে জনগণকে সচেতন করা হবে।উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে সভা, উঠান বৈঠক, স্কুল-কলেজ ক্যাম্পেইন,মাইকিং,লিফলেট বিতরণ,  লোকগান, পথনাটক,স্যোশাল মিডিয়ায় প্রচার, টিভিসিসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এ প্রকল্প কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
 
অন্যদিকে ভোলা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মনিরুজ্জামান আহমেদ বক্তব্যে বলেন, যদিও এই প্রকল্পটি  ২০২০/ ২০২১সালে করা উচিত ছিলো তারপরেও এখন এই প্রকল্প করা খারাপ হবে না।কারণ আক্রান্তের সংখ্যা কমে যাওয়ায় এই সময়টি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো কোভিড-১৯ নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ করা ছেড়ে দিয়েছে বললেই চলে।কিন্তু এখনো যেসব মানুষগুলো ভ্রান্ত ধারণা এবং অজ্ঞতার কারণে টিকা নেয়নি আশাকরি এই প্রকল্পের কার্যক্রমের মাধ্যমে  তারা টিকা নিতে উৎসাহিত হবে।
 
সুশাসনের জন্য নাগরিক(সুজন) এর ভোলা জেলা সভাপতি মোবাশ্বের উল্ল্যাহ চৌধুরী বলেন, দি" হাঙ্গার প্রজেক্ট" ভোলা জেলার ৬টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে যে শিক্ষিত,স্বেচ্ছাসেবী, উদ্যোমী এবং পরিশ্রমী তরুণ-তরুণীদের কমিউনিটি ভলান্টিয়ার হিসেবে নির্বাচন করেছে তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। আমার বিশ্বাস তারা তাদের মেধা খাটিয়ে অন্ধকারে ডুবে থাকা মানুষদেরকে সচেতন করতে পারবে।