অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২২শে মে ২০২২ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯


সরকারের আচরণে গণতন্ত্রের লেশ নেই: ফখরুল


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ই এপ্রিল ২০২২ রাত ১০:৫০

remove_red_eye

২৭

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান সরকার তার ফ্যাসিবাদী আচরণের কারণে এখন গণতন্ত্রের আশেপাশে নেই। তাদের আচরণে গণতন্ত্রের লেশমাত্র নেই।’

শনিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

 

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই বলে আসছি, বাংলাদেশে যেসব ঘটছে ঘটছে, সেগুলোর ওপর আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক বিশ্ব অনেক আগে থেকে কাজ করছে। প্রত্যেক বছর যুক্তরাষ্ট্র মানধিকার রিপোর্ট বের করে। প্রত্যেকটা দেশের ওপরই তারা রিপোর্ট করে।’

যুক্তরাষ্ট্রের এই মানবাধিকার প্রতিবেদনের প্রভাব আগামী জাতীয় নির্বাচনে পড়বে কি না? এ প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন হবে কি না, সেটা তো নির্ভর করবে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হবে কি হবে না, তার ওপর।’

গতকাল শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেসব সিদ্ধান্ত সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন মহাসচিব।

 

তিনি জানান, গত ১২ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর প্রকাশিত ‘২০২১ কান্ট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইটস প্র্যাকটিসেস’ শীর্ষক রিপোর্টে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খরা বাহিনীর ভূমিকা, বিচার ব্যবস্থায় সরকারি হস্তক্ষেপ সম্পর্কে যে বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে স্থায়ী কমিটি সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিচারবহির্ভূত এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে হত্যাকাণ্ড, প্রতিবাদকারী ব্যক্তিদের পিতা-মাতা, ভাই-বোনদের গ্রেপ্তার, বিচার প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার, বিশেষ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়া ও কারাগারে প্রেরণকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত বলে যুক্তরাষ্ট্রের রিপোর্টে উল্লেখ করায় প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হয়েছে বলে স্থায়ী কমিটি মনে করে।’

সম্প্রতি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) গবেষণায় করোনা মোকাবিলায় প্রতিবেশী দেশগুলোর চেয়ে বেশি দামে টিকা কেনা ও অর্থ ব্যয়ে অস্বচ্ছতার কারণে ২৩ হাজার কোটি টাকার অনিয়মের বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির উদ্বেগের কথা জানান মির্জা ফখরুল।

 

তিনি বলেন, ‘সরকারের মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের সীমাহীন দুর্নীতির কারণে রাষ্ট্রের মারাত্মক ক্ষতি করা হচ্ছে। অবিলম্বে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের দুর্নীতির বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশনকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে স্থায়ী কমিটির সভায়।’