অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২২শে মে ২০২২ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯


মিরাজের সরাসরি থ্রোতে রান আউট পিটারসেন


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩১শে মার্চ ২০২২ সন্ধ্যা ০৬:৫৭

remove_red_eye

৯৪

৪৬তম ওভারের শেষ বলে মিরাজের সরাসরি থ্রোতে রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন কেগান পিটারসেন। ৪২তম ওভারে ১৮ রানের সময় জীবন পেয়েছিলেন তিনি। এরপর মাত্র ১ রান যোগ করেই ফেরেন সাজঘরে। তাসকিনের বলে ব্যাট ছুঁয়ে উইকেটের পেছনে গেলে আম্পায়ার সাড়া দেননি, পরে রিপ্লেতে দেখা যায় ব্যাটে লেগেছে বল। এরপর তাসকিনের করা ৪৬তম ওভারের শেষ বলে পয়েন্টে খেলে বাভুমা রান নিতে গেলেই মিরাজের সরাসরি থ্রোতে আউট হন নন স্টাইক প্রান্তে থাকা পিটারসেন। ৩৬ বলে ১৯ রান করেন তিনি। 

দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৪৭/৩ (৪৭ ওভার)  

দুই ওপেনারকে ফেরালেন খালেদ-মিরাজ

 

ইনিংসের ৩৪তম ওভারে এসে ডিন এলগারকে সাজঘরে পাঠালেন খালেদ আহমেদ। পরের ওভারেই আরেক ওপেনার সারেল আরউইকে ফেরান মেহেদি মিরাজ। ইনিংসের ৩৪তম ওভারে এসে ডিন এলগারকে সাজঘরে পাঠালেন খালেদ আহমেদ। পরের ওভারেই আরেক ওপেনার সারেল আরউইকে ফেরান মেহেদি মিরাজ। শুরু থেকে দুই ওপেনার জুটি গড়ে ছড়ি ঘোরাচ্ছিলেন টাইগার বোলারদের উপর। শতরানের জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এলগার ফিফটি করেছেন, আরউই ছিলেন ফিফটির পথে। অবশেষে দুজনকেই সাজঘরে ফেরান খালেদ-মিরাজ। খালেদের লাফিয়ে ওঠা বাউন্স এলগারের গ্লাভস ছুঁয়ে যায় উইকেটের পেছনে। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে তালুবন্দি করেন লিটন। ১১ চারে ১০১ বলে ৬৭ রান করেন এলগার।  পরের ওভারে মিরাজের ফুলার বলে বোল্ড হন আরউই। ৬ চারে ১০২ বলে ৪১ রান করেন আরউই। 

রিভিউ হারাল বাংলাদেশ, দ. আফ্রিকার ১০০ 

 

প্রথম সেশনের প্রথম বলে ফুল টস দিয়েছিলেন তাসকিন, সেটি চার মেরেছিলেন এলগার। দ্বিতীয় সেশনের প্রথম বল (২৬তম ওভার) এবার ফুল টস দেন ইবাদত। সেটি ব্যাট মিস করে লাগে এলগারের পায়ে। জোরালো আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। বাংলাদেশ রিভিউ নেয়। তবে কোনো কাজে আসেনি। পরের ওভারের শেষ বলে মেহেদি মিরাজকে চার মেরে দলীয় ১০০ পূর্ণ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৭ ওভারে তারা দলীয় সংগ্রহ তিন অঙ্কের ঘরে নিয়ে যায়। এর মধ্য দিয়ে এলগার-আরউই জুটি শতরান পেরিয়ে যায়। ১৬৪ বলে ওপেনিং জুটিতে তারা শতরান পূর্ণ করেন। 

ক্যাচ মিসের আক্ষেপ নিয়ে লাঞ্চে বাংলাদেশ

ইনিংসের প্রথম বলেই তাসকিন আহমেদকে ডিপ স্কয়ারে চার মেরে যেন বার্তা দিয়েছিলেন ডিন এলগার। আধা ঘণ্টা দেরিতে শুরু হওয়া টেস্টের প্রথম দিন প্রথম সেশন রাজত্ব করেছেন স্বাগতিকরা। দুই ওপেনার ডিন এলগার-সারেল আরউইর জুটিই ভাঙতে পারেননি টাইগার বোলাররা। এর মধ্যেই ২৫ত্ম ওভারে আরউইকে জীবন দেন লিটন। মিরাজের বলে সহজ ক্যাচ ধরতে পারেননি। এলগার মাত্র ৬০ বলে ফিফটি হাঁকান। আরউই তাকে দারুণভাবে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে তাসকিন-ইবাদত-খালেদ ও মিরাজরা পাচ্ছেন না উইকেটের দেখা। মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার আগে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ২৫ ওভারে ৯৫ রান। এলগার ৬০ ও আরউই ৩২ রানে অপরাজিত আছেন। 

 

আরউইকে জীবন দিলেন লিটন 

এমনিতেই উইকেটের দেখা পাচ্ছে না বাংলাদেশ। তার মধ্যে যদি ক্যাচ মিস হয় তাহলে? সেটিই করলেন লিটন। লাঞ্চে যাওয়ার ঠিক আগে ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজে করা চতুর্থ বলে  সারেল এরউইয়ার ক্যাচ নিতে পারেননি লিটন। মিরাজের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে কাট করতে গেলে ব্যাটের কানায় ছুঁয়ে বল যায় পেছনে। স্টাম্প ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা লিটনের গ্লাভসে লেগে বল পড়ে মাটিতে। ৩২ রানে জীবন পান আরউই।

 
 

 

এলগারের হাফ সেঞ্চুরি, জুটি ভাঙতে পারছে না বাংলাদশ

ইনিংসের ১৯তম ওভারের পঞ্চম বল। মেহেদি হাসান মিরাজকে কাভারে ঠেলে দিয়ে সিঙ্গেল নেন ডিন এলগার। আর তাতেই দেখা পয়ে যান ক্যারিয়ারের ২০তম হাফ সেঞ্চুরির। মাত্র ৬০ বল অর্ধশতক করেন ৯টি চারের মারে। আরউইয়ের সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। দুজনের জুটিই ভাঙতে পারছেন না তাসকিন আহমেদরা।

 

দ. আফ্রিকার দারুণ শুরু

তাসকিন আহমেদের ফুল টস বলে চার মেরে রানের খাতা খোলেন ডিন এলগার। আরেক ওপেনার সারেল আরউইকে নিয়ে খেলতে থাকেন সাবধানে। সিঙ্গেলস-ডাবলসের সঙ্গে দুজনে চেষ্টা করছেন বাউন্ডারি মারার জন্যও। এলগারের ব্যাট চওড়া হলেও আরউই খেলছেন দেখেশুনে। দুজনের ব্যাটে ইতিমধ্যে দলীয় ফিফটি পার করে ফেলে স্বাগতিকরা। ১১.৩ ওভারে তারা দলীয় পঞ্চাশ রান পূর্ণ করে। দক্ষিণ আফ্রিকাকে চেপে ধরতে হলে শুরুতে উইকেট নেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই বাংলাদেশের সামনে। কিন্তু তাসকিন-ইবাদত-খালেদকে সেই সুযোগ দিচ্ছেন না তারা। দুজনে প্রথম স্পেলে ৮ ওভার বোলিং করেন। ইনিংসের ৯ম ওভারে আসেন আরেক পেসার খালেদ আহমেদ।  ইবাদতের সঙ্গে এখন বোলিং করছেন খালেদ।  

 

সাইটস্ক্রিন সমস্যায় আধা ঘণ্টা পর খেলা শুরু

বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় খেলা শুরু হওয়ার কথা ছিল। টসের পর দুই দলের ক্রিকেটাররা মাঠেও নামেন। কিন্তু সাইটস্ক্রিন সমস্যার কারণে শুরু হচ্ছে না খেলা। সমস্যার সমাধান করতে আধঘণ্টারও বেশি সময় লাগে। নির্ধারিত সময়ের ৩৪ মিনিট পর খেলা শুরু হয়।

ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ 

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় ডারবানের কিংসমিডে স্বাগতিকদের বিপক্ষে লড়াইয়ে নামবে টাইগাররা। তামিম ইকবালের একাদশে থাকার কথা থাকলেও পেটে পীড়ার কারণে তিনি নেই বলে জানিয়েছেন অধিনায়ক মুমিনুল হক।  

 

বাংলাদেশ একাদশ: আজ সকাল থেকে তামিম পেটের সমস্যায় ভুগতে থাকেন। তিনি দলের সঙ্গে মাঠেও আসতে পারেননি। ফিজিও বায়েজিদ ইসলাম জানিয়েছেন তাকা যথাযত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।  এ ছাড়া পেসার শরিফুল ইসলামকেও রাখা হয়নি একাদশে। অনুশীলনের পর দূর্বল অনুভব করায় তাকে বিশ্রামে রাখা হয়েছে। 

সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, ইয়াসির আলী রাব্বী, লিটন দাস, মেহেদি হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, ইবাদত হোসেন ও খালেদ আহমেদ।

দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: অভিষেক হয়েছে পেসার লিজাড উইলিয়ামসের। ৭ বছর পর দলে ফেরেন সিমন হার্মার। 

ডিন এলগার (অধিনায়ক), সারেল আরউই, কিগান পিটারসেন, টেম্বা বাভুমা, রিয়ান রিকেলটন, উইয়ান মাল্ডার, কাইল ভেরিয়েন্নে, কেশব মহারাজ, সিমন হার্মার, লুথো সিপামলা, লিজাড উইলিয়ামস।

প্রোটিয়াদের জন্য অপয়া কিংসমিড

এই কিংসমিডের ছোট একটি পরিসংখ্যান উজ্জীবিত করতে পারে সফরকারী দলকে। ২০০৯ সাল থেকে এই মাঠে ৯টি টেস্ট খেলে দক্ষিণ আফ্রিকার জয় মাত্র ১টিতে! ২০১৯ সালে এই মাঠে জিতেই প্রথম কোনো এশিয়ান দল হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজ জেতার রেকর্ড গড়ে শ্রীলঙ্কা। এক কথায় দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য ডারবান যেন অপয়া!

 

অভিজ্ঞতায়ও এগিয়ে বাংলাদেশ!

লুঙ্গি এনগিডি, কাগিসো রাবাদা, এইডেন মার্করাম, রাসি ফন ডার ডুসেনদের ছাড়া প্রোটিয়া শিবির যেমন খাপছাড়া, তেমনি বাংলাদেশ প্রায় পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে উজ্জীবিত। স্কোয়াডের চার সদস্যের এখনো অভিষেকই হয়নি। বাংলাদেশ দলে একমাত্র সাকিব আল হাসান নেই পারিবারিক কারণে। তামিম ইকবাল দলে ফিরেছেন ৫ টেস্ট পর। তবে পেটের সমস্যায় মাঠে নামতে পারছেন না প্রথম ম্যাচে। দক্ষিণ আফ্রিকার অনভিজ্ঞ পেস আক্রমণের তুলনায় বাংলাদেশ পেস আক্রমণ বেশ অভিজ্ঞ। পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন ফর্মের তুঙ্গে থাকা তাসকিন আহমেদ কিংবা নিউ জিল্যান্ডে ইতিহাস গড়া ইবাদত হোসেন। 
জয়ে চোখ বাংলাদেশের

জয়ে চোখ বাংলাদেশের

দক্ষিণ আফ্রিকায় সাদা পোশাকের লড়াইয়ে বাংলাদেশের নেই কোনো রঙিন গল্প। যা আছে শুধু হতাশার। তবে এবারের সফরটা ভিন্ন, অন্য সববারের তুলনায়। ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর টেস্টের সুধা পানে ফুরফুরে মেজাজে মুখিয়ে আছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) কারণে টেস্ট দলের বেশ কয়েকজনকে ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকাকে যেন মনে হচ্ছে আনকোরা। সবকিছু মিলিয়ে বল যেন বাংলাদেশের কোর্টে!

তাইতো মুমিনুল হক অকপটে বলে দিলেন, ‘আমি তো সবসময় বলি যে জেতার জন্যই খেলি। এই সিরিজেও আমরা জেতার জন্যই খেলবো। তার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রক্রিয়া মতো আগানো। ৫ দিন ভালোভাবে দাপট ধরে রাখলে ফল অবশ্যই আমাদের পক্ষে আসবে।’

আগের রেকর্ড শুধুই হতাশার

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১২টি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশের জয়ের কোনো রেকর্ড নেই। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বাংলাদেশ ৬টি ম্যাচ খেলেছে— তার প্রত্যেকটিতেই হেরেছে বড় ব্যবধানে। ৫টি ছিল ইনিংস ব্যবধানে হার। আর একটিতে ৩৩৩ রানের বিশাল ব্যবধানে। এ ছাড়া দেশের মাটিতে ৬ টেস্ট খেলে সাফল্য বলতে দুটি ম্যাচে ড্র। তবে এবার হতে পারে ভিন্ন কিছু!