অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ১৮ই জানুয়ারী ২০২২ | ৫ই মাঘ ১৪২৮


তজুমদ্দিনের সোনাপুর ইউপি নির্বাচনে দুই মেম্বার প্রার্থীর পাল্টা-পাল্টি সংবাদ সম্মেলন


তজুমদ্দিন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৩শে ডিসেম্বর ২০২১ রাত ০৯:৫৫

remove_red_eye

৪৬



এম নয়ন ,তজুমদ্দিন : ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দুই মেম্বার প্রার্থী পাল্টাপাল্টি সাংবাদ সম্মেলন করে একে অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। গত বুধবার দুপুর ১২টায় সোনাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আঃ আজিজ ফারুক (ঘুড়ি প্রতিক) এবং বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টায় উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা সালেম মাতাব্বর (তালা প্রতিক) এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলন করার সময় উভয়ের সাথেই কর্মি সমর্থক উপস্থিত ছিলো। তারা উভয়ই সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রতিদন্ধিতা করছেন।
নিজ বাসববনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আঃ আজিজ ফারুক দাবী করেন, তার প্রতিপক্ষ সালেম মাতাব্বর (তালা প্রতিক) এলাকায় ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার অপচেষ্টায় ব্যস্ত। বহিরাগত কিছু লোকজন এসে তার কর্মি সমর্থদের ভয় ভীতি প্রদর্শন করছেন। তিনি আরো অভিযোগ করেন, সালেম মাতাব্বর দীর্ঘদিন যাবত মেঘনা নদী হতে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে  কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। এজন্য তার বিরুদ্ধে একাধিকবার মামলাও হয়েছে। ভোটারদের প্রতি আহবান জানিয়ে আরো বলেন, আগামী ২৬ শে ডিসেম্বর নির্বাচনে আপনারা ঘুডি় প্রতীকে ভোট দিবেন। আমি নির্বাচিত হলে আপনাদের পাশে থেকে সেবা করব। সেনা বাহিনী থেকে অবসরের পর বিগত ১০ বছর আপনাদের পাশে থেকে রাজনীতি করছি। সেই সততা ও আদর্শে রাজনীতিতে এসেছি। টাকার বিনিময়ে ভোট দিলে তার কাছ থেকে কাঙ্খিত সেবা পাবেন না।
অপরদিকে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টায় উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা সালেম মাতাব্বর (তালা প্রতিক) সংবাদ সম্মেলনে দাবী করেন, প্রতিপক্ষ প্রর্থিী আঃ আজিজ ফারুক তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার করছেন। নির্বাচনে সুবিধা নেয়ার জন্যে তিনি সাংবাদিকদের ভুল ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করে বিভ্রান্ত করছেন। আমি ককনো কোন অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত না। এলাকার মানুষের সাথে আমার সম্পৃক্তা রয়েছে। আগামী ২৬ ডিসেম্বর নির্বাচনে মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে। তিনি আরো দাবী করেন, ফারুক সাহেব বিগত দিনে এলাকার গরীব মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছেন। এতোদিন এই ওয়ার্ডের বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, ভিজিডি ও ভিজিএফ তিনি নিজেদের লোকজনের মধ্যে বিরতন করেছেন। এখন মানুষের সমর্থন না পেয়ে বহিরাগত লোকজন এনে আমার ভোটারদের কেন্দ্রে না যেতে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। নিরপেক্ষ ভোটের স্বার্থে আমি এই কেন্দ্রটিতে ভোটের দিন অতিরিক্ত পুলিশ ও একজন নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগের দাবী করছি।