অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ২০শে আগস্ট ২০২৬ | ৪ঠা ভাদ্র ১৪৩৩


বিলুপ্তির পথে দেশীয় প্রজাতির মাছ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯শে জুলাই ২০২১ ভোর ০৪:৫৯

remove_red_eye

১১৩০

 

এম শরীফ আহমেদ : দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন ছোট-বড় মাছ বিলুপ্তির পথে। হারিয়ে যাওয়া ওইসব মাছের স্বাদ ভুলে যাচ্ছে মানুষরা। কয়েক বছর আগেও জেলার বিভিন্ন এলাকার ছোট-বড় নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবায় এবং ফসলী ক্ষেতে প্রচুর দেশীয় প্রজাতির মাছ পাওয়া যেতো।

একশ্রেণীর মানুষ মাছ ধরাকে তাদের পেশা হিসেবে নিয়েছিল। কিন্তু যত্রতত্র মাছ আর পাওয়া না যাওয়ায় সে জেলেরা বর্তমানে বিভিন্ন রকম পেশা বেছে নিয়েছে। বিলুপ্ত হওয়া মাছের মধ্যে রয়েছে, ঢেলা, পাবদা, দাড়কানা, কৈ, তিন কাঁটা আইড়, তেলটুপি, গাড্ডু টাকি, ভেদা, মাগুড়, বড় শৈল প্রভৃতি।

ইদানীং পুঁটি, জাতটাকি, চিংড়ি, তিতপুঁটি, টেংরা, জিয়ল শিং, চান্দা, বাইম মাছগুলোও হাটবাজারে তেমন চোখে পড়ে না। মাঝেমধ্যে পাওয়া গেলেও দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।

এক সময় ভোলার বিভিন্ন  উপজেলার গ্রামের অনেক পরিবারের প্রধান পেশা ছিল মাছ ধরা। কিন্তু এখন বিলে পানি না থাকায় আর মাছের সেই জৌলুস নেই।জেলার মনপুরা উপজেলার  ৮০ বয়সের বৃদ্ধ  কিসমত আলী কিশোর বয়স থেকেই মাছ ধরাকে পেশা হিসেবে নিয়েছিল। বিল থেকে মাছ ধরে হাটবাজারে বিক্রির মাধ্যমেই  কিসমত আলী তার সংসার চালাতো।

তিন মেয়ে-চার ছেলেকে সে মাছ ধরেই বড় করেছে।৮/১০ বছর ধরে মাছ তেমন পাওয়া যায় না বলে জানায়। তার মতে এক যুগের মধ্যে কমপক্ষে ১০-১২ প্রকারের দেশীয় প্রজাতির মিঠা পানির মাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হওয়ার কারণ জানতে চাইলে এক সাক্ষাতকারে ভোলা সরকারি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক মোঃ মোমেন মিঞা জানান, দেশীয় প্রজাতির মাছ যত্রতত্র ডিম ছেড়ে বংশ বিস্তারের মাধ্যমে বড় হয় কিন্তু গ্রামের গরিব নিম্নবিত্ত মানুষরা শুষ্ক মৌসুমে সামান্য পানি থাকা ডোবাগুলো সেচে সকল মাছ নির্বিচারে ধরার ফলে মাছের বংশ বিস্তারে চরম বিঘ্ন ঘটে।

আবার ফসলী জমিতে প্রচুর কীটনাশক প্রয়োগ করায় পানি দূষিত হয়ে মাছের মৃত্যু, রোগবালাই বৃদ্ধি এবং প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হচ্ছে, ফলে পরবর্তী বছরে পর্যায়ক্রমে দেশীয় মাছ আর পাওয়া যায় না। মাঝেমধ্যে দুচারটি পাওয়া গেলেও দাম আকাশচুম্বি। এক্ষেত্রে বাজার দখল করেছে বিদেশী কার্প জাতীয় বিভিন্ন মাছ।

বিভিন্ন হাটবাজারে বিদেশী কার্প জাতীয় ছোট মাছ ১৫০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে দেশীয় প্রজাতির যে কোনো মাছ হলেই সেটা ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যায়। মূলত খাল-বিল নদী-নালা ডোবায় পানি সবসময় না থাকা এবং মৎস্য আইন প্রয়োগ না হওয়ায় দিন দিন ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন  উপজেলায় বিভিন্ন এলাকা থেকে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে।





ভোলায় পরিবারের কাছে ফিরে পেলেন নিখোঁজ বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশু

ভোলায় পরিবারের কাছে ফিরে পেলেন নিখোঁজ বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশু

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালী

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালী

চরফ্যাসনে মোবাইল কোর্টে অভিযান দুই ফার্মেসির জরিমানা

চরফ্যাসনে মোবাইল কোর্টে অভিযান দুই ফার্মেসির জরিমানা

তজুমদ্দিনে মহিষের বাছুরের ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি

তজুমদ্দিনে মহিষের বাছুরের ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি

কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল

কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল

একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন

ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, আগামীকাল ভোটগ্রহণ : সিইসি

ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, আগামীকাল ভোটগ্রহণ : সিইসি

গণমাধ্যম বাংলাদেশে এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে : তথ্যমন্ত্রী

গণমাধ্যম বাংলাদেশে এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে : তথ্যমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে বৈঠকে বসেছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যগণ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে বৈঠকে বসেছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যগণ

কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ জনের ৫ জন বাংলাদেশি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ জনের ৫ জন বাংলাদেশি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আরও...