অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২৪শে জুলাই ২০২১ | ৯ই শ্রাবণ ১৪২৮


মনপুরা উপকূলে প্রায় ঘরে ঘরে জ্বর সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত রোগী


মনপুরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৩ই জুলাই ২০২১ রাত ০৯:২৯

remove_red_eye

৩০





মনপুরা প্রতিনিধি : ভোলার মনপুরা উপকূলে প্রায় ঘরে ঘরে দেখা দিয়েছে জ্বর সর্দি-কাশি, গলা ব্যাথা ও ঠান্ডাজনিত অসুখ। গত কয়েক দিন ধরে ওই সমস্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গড়ে দুই থেকে তিনশত জ্বর সর্দি-কাশি ও মাথাব্যাথায় আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এই সমস্ত করোনা উপসর্গ নিয়ে রোগীরা চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা সেবা নিলেও লকডাউনের ভয়ে কেউ করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে রাজি নন।
এদিকে গত সোমবার ও মঙ্গলবার তিন স্বাস্থ্য কর্মীসহ ১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে সবাই স্বাস্থ্যবিধি না মানলে করোনার রোগী ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশংকা চিকিৎসকদের।
সরেজমিনে হাসপাতাল ও হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে বেশিরভাগই জ্বর, সর্দি-কাশি ও মাথাব্যাথায় আক্রান্ত রোগী। প্রতিদিন ওই সমস্ত রোগে আক্রান্ত শতাধিক রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন আবাসিক মেডিকেল অফিসাররা। তবে রোগীরা কেউ করোনা পরীক্ষার নমুনা দিতে রাজি নন।
এদিকে উপজেলার প্রত্যেকটি হাট-বাজারে আসা লোকজন স্বাস্থ্য বিধির মানছেনা। হাট-বাজারে আসা লোকজনের মধ্যে বেশির ভাগ মানুষের মুখে মাক্স পড়তে দেখা যায়নি। আর যারা পড়েছে তাদের মুখের নিচে মাক্স পড়তে দেখা গেছে।
এই ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ রেজয়ানুল আলম যুগান্তরকে জানান, প্রতিদিনই জ্বর সর্দি-কাশির রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সবাই নমুনা পরীক্ষা করতে চায়না। এছাড়াও গত দুই দিনে ১২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এখনই যদি সবাই স্বাস্থ্যবিধি না মানে তাহলে করোনা ছড়িয়ে পড়ে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশংকা করছি। তিনি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মাক্স পড়ে চলাচল করতে অনুরোধ জানান।