বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪ই জুন ২০২১ রাত ১১:১৫
৬২৮
ইয়াসের জলোচ্ছাস থেকে রক্ষা পেল কয়েকশত মহিষ
বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক \ ভোলা জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট এর আওতায় নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশে এই প্রথম মহিষের আধুনিক বাসস্থান বা কিল্লা। ইতোমধ্যে ভোলা সদর উপজেলার চর চটকিমারায় নির্মিত মহিষের আধুনিক কিল্লাটি ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের এর ফলে সৃষ্ট পরবর্তী বন্যায় খামারিদের মহিষের নিরাপত্তার পাশাপাশি রাখালদের নিরাপত্তা প্রদানে সক্ষম হয়েছে। নির্মিত কিল্লাটি ভূমি থেকে ৭ফুট উচ্চতায় হওয়ায় বন্যার পানি কিল্লাটিতে প্রবেশ করতে পারেনি, ফলে খামারিদের মহিষ এই বন্যায় ছিল সম্পূর্ণ নিরাপদ। পাশাপাশি এই আধুনিক কিল্লাটিতে রাখালদের জন্য রয়েছে নিরাপদ বাসস্থান, সুপেয় পানির জন্য গভীর নলকূপ, স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ও সৌর বিদ্যুতের ব্যবস্থা। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য রয়েছে কম্পোস্ট পিট । প্রতিবছর বন্যার পাশাপাশি বজ্রপাতেও অনেক মহিষ মারা যায় বলে উক্ত প্রজেক্ট এর আওতায় নির্মিত আধুনিক এই কিল্লায় থাকছে বজ্র নিরোধক দন্ড।
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ও পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ভোলা জেলায় মহিষের পরিবেশগত ও টেকসই উন্নয়নে সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট বাস্তবায়নে কাজ করছে ভোলার ঐতিহ্যবাহী সংস্থা, গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা (জিজেইউএস)।
চর চটকিমারার মহিষ খামারী নাজিম উদ্দিন, আলা আমিন, হানিফ হাওলাদার ও নুরুল ইসলাম জানান, " ঘুর্ণিঝর ইয়াশের সময় পানির উচ্চতা বৃদ্ধিপেলেও আমরা আমাদের মহিষগুলো এই কিল্লায় নিরাপদে রাখতে পেরেছি। আমাদের মহিষ ভেসে যায়নি, পাশাপাশি আমরাও এই কিল্লায় নিরাপদ আশ্রয় নিতে পেরেছি। এর আগে আমাদের কোনো আধুনিক কিল্লা ছিল না , বন্যার সময় আমাদের মহিষ ভেসে যেত, অনেক আর্থিক ক্ষতি হতো। চরে আমাদের জন্য কোন নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যকর পায়খানার ব্যবস্থা ছিলনা, কিন্তু এই প্রজেক্ট থেকে আমাদের যে এই আধুনিক কিল্লাটি দেয়া হয়েছে তাতে আমরা এই সকল সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি। প্রোজেক্টের অন্তর্ভুক্ত খামারিদের পাশাপাশি অন্যান্য খামারিরাও এই বন্যার সময় তাদের মহিষগুলো কিল্লায় রাখতে পেরে অনেক দুশ্চিন্তামুক্ত ছিল।"
গ্রামীন জন উন্নয়ন সংস্থার উপ-পরিচালক ডাঃ মোঃ খলিলুর রহমান জানান, এখন মনে হচ্ছে যে আমরা সত্যিই উপক‚লীয় এলাকার মহিষের জন্য ভাল একটা কাজ করতে পেরেছি”
উল্লেখ্য, এসব কিল্লায় সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি) এর মাধ্যমে ভোলা জেলার সম্ভাবনাময় এই মহিষ খাতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার এসইপি প্রকল্প ইতিমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
গ্রামীন জন উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মহিন জানান, আরো কয়েকটি চরে আধুনিক কিল্লার নির্মান কাজ প্রক্রিয়াধিন রয়েছে। যাতে করে মহিষ খামারীরা কোন ভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ না হয় এবং রাখালরাও নিরাপদ থাকতে পারে সেদিকে আমাদের দৃষ্টি রয়েছে।
ভোলার ধনিয়ায় ইয়ুথ ফোরামের উদ্যোগে ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত
ভোলার ধনিয়া কিশোরী ক্লাব গঠন ও মতবিনিময় সভা
উচ্চশিক্ষার রূপান্তরে ইউজিসির কর্মশালা আগামীকাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
অপরাধীর পরিচয় কেবলই অপরাধী, রাজনৈতিক পরিচয় নয়: প্রধানমন্ত্রী
অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখতে পুলিশের প্রতি নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরো জনবান্ধব করবে : মির্জা ফখরুল
কন্যাশিশুদের বিকাশে রাষ্ট্রকে সহায়ক শক্তি হতে হবে: ডা. জুবাইদা
ভিন্নমতের ঊর্ধ্বে উঠে পুলিশ সদস্যদের একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর
সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ্য করবো না, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবো : ধর্মমন্ত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগী: এলাকায় আতংক