অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৫ | ২১শে চৈত্র ১৪৩১


গরিবদের জন্য ১০০ কোটি ভ্যাকসিনের ঘোষণা আসছে


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ই জুন ২০২১ রাত ০৮:২৪

remove_red_eye

৫৯০

©বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক :  করোনা মহামারি মোকাবিলায় গরিব দেশগুলোকে ১০০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দিতে ধনী দেশগুলোর জোট জি-৭ রাজি হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। খবর রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ফাইজারের ৫০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন বিতরণের ঘোষণা দেওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই এই আশার বাণী শুনিয়েছেন জনসন।

এদিকে, উদ্বৃত্ত থাকা কমপক্ষে ১০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন গরিব দেশগুলোতে বিতরণ করতে আগ্রহী যুক্তরাজ্য। পাশাপাশি, ২০২২ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে করোনা ভ্যাকসিন কর্মসূচি শেষ করতে ভ্যাকসিন বিতরণের প্রতিশ্রুতি দিতে জি-৭ জোট নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ব্রিটেনের কারবিস বে-তে শুক্রবার (১১ জুন) থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন দিনের এই শীর্ষ সম্মেলনে ১০০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দাতব্য সহায়তা হিসেবে বিতরণের ঘোষণা আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে, একটি পক্ষ এই পরিকল্পনার সমালোচনা করে বলছে, এই উদ্যোগ প্রয়োজনের তুলনায় অতি সামান্য। আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা অক্সফামের হিসাব অনুসারে, প্রায় ৪০০ কোটি মানুষ ভ্যাকসিনের জন্য কোভ্যাক্সের ওপর নির্ভর করে আছে।

এর আগে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনে কোভিড-১৯ মহামারি শুরুর পর ২১০ দেশ ও অঞ্চলে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে। বিশ্বে প্রায় ৩৯ লাখ মানুষ করোনায় মারা গেছে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি অনেকটাই মুখ থুবড়ে পড়েছে।

বিজ্ঞানীরা বিদ্যুৎগতিতে বাজারে ভ্যাকসিন আনতে পারলেও তারা জানিয়েছেন, সব দেশের মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা সম্ভব হলেই কেবল মহামারি থামানো সম্ভব। এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে ৭৭ শতাংশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ শতাংশ জনগোষ্ঠীকে অন্তত এক ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।

পৃথিবীর জনসংখ্যা ৮০০ কোটির কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং বেশিরভাগ মানুষের দুই ডোজ টিকা দরকার- এমন বাস্তবতা তুলে ধরে অনেকেই বলছেন, গরিব দেশগুলোকে ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে একটা উদ্যোগ শুরু হয়েছে। কিন্তু, বিশ্ব নেতাদের এ বিষয়ে আরও অনেক করণীয় আছে এবং আরও দ্রুততার সঙ্গে তা করতে হবে।

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের দান করা ১০ কোটি ডোজের মধ্যে আট কোটিই বিতরণ করা হবে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে যার নেতৃত্বে রয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। বাকিগুলো দ্বি-পক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তিতে যেসব দেশের দরকার তাদেরকে দেওয়া হবে।

ভ্যাকসিন কর্মসূচির জন্য এরইমধ্যে যে মজুত গড়ে তোলা হয়েছে সেখান থেকেই ব্রিটিশ ডোজগুলো বিতরণ করা হবে। এগুলো অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার-বায়োএনটেক, জনসন, মডার্না ও অন্যান্য উৎস থেকে এসেছে।

সারাবাংলা/একেএম