অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২০শে জুন ২০২১ | ৬ই আষাঢ় ১৪২৮


ভোলায় বিনোদন কেন্দ্র গুলোতে মানুষের ভিড়


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ই মে ২০২১ রাত ০৯:৩৫

remove_red_eye

১৬০



বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : পবিত্র ঈদুল ফিতর উলক্ষে ভোলার বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে সুন্দর্য উপভোগ করতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। তবে ঈদের দিন দর্শনার্থীদের সংখ্যা কিছুনা কম হলেও ঈদের দ্বিতীয় দিন রয়েছে উপচে পড়া ভিড়। ঈদ উপলক্ষে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের আর্কষণ করতে বিনোদন কেন্দ্রগুলোকে নতুন করে সাজ সজ্জা করা হয়েছে। ঘুরতে আসা বেশি ভাগ মানুষই স্বাস্থ্য বিধি মেনে মাক্স পড়ে রয়েছেন। এছাড়াও দর্শনার্থীরা সাথে করে হ্যাক্সিসল নিয়ে এসে হ্যাক্সিসল দিয়ে বার বার হাত ধূতে দেখা গেছে।
সরেজমিনে গিয়ে ভোলা সদর উপজেলার তুলাতুলি এলাকার শাহাবাজপুর মেঘনা পর্যটন কেন্দ্র ও চরফ্যাশন উপজেলার বেতুয়া প্রশান্তি পার্ক এমন দৃশ্য দেখা গেছে।ভোলা সদরের তুলাতুলি এলাকার শাহাবাজপুর মেঘনা পর্যটন কেন্দ্র ঘুরতে আসা মোঃ রিপন জানান, ঈদ উপলক্ষে পরিবারের সকলকে নিয়ে শাহাবাজপুর মেঘনা পর্যটন কেন্দ্র ঘুরতে এসেছি। এখানে অনেক সুন্দর সুন্দর দৃশ্য রয়েছে। ঘোড়ার পিঠে চড়ে ঘুরা যায় এবং স্প্রীড বোর্ডে ও ট্রলারের করে ঘুরা যায়।
তিনি আরো জানান, করোনার কারণে র্দীঘ দিন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরতে বের হতে পারিনি। ঈদ উপলক্ষে সবাই মিলে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ঘুরেছি, অনেক ভালো লেগেছে।
চরফ্যাশন উপজেলার বেতুয়া প্রশান্তি পার্কে ঘুরতে আসার সাইফুল ইসলাম রুবেল ও মোঃ নাহিদ জানান, ভোলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরেছি এবার চরফ্যাশন বেতুয়া প্রশান্তি পার্কে ঘুরেতে এসছি। আমরা পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের নিয়ে ঘরতে এসেছি। একটি সুন্দর যায়গায় এবং সুন্দর পরিবেশ।
তারা আরো জানান, করোনার কথা মাথা রেখে আমরা মাক্স পরেছি। এবং সাথে করে হ্যাক্সিসল নিয়ে এসেছি। কিছুক্ষণ পর পর হ্যাক্সিসল হাতে মাখছি।    
এদিকে ঘুরতে আসার দর্শনার্থীদের মধ্যে বেশি ভাগ মানুষ স্বাস্থ্য বিধি মেনে চললেও কিছু সংক্ষক মানুষ স্বাস্থ্য বিধি মানছেন না। তবে সংবাদকর্মীদের দেখে স্বাস্থ্য বিধি না মানা অনেকেই তারা     সরে যেতে দেখা গেছে।           
তুলাতুলি শাহাবাজপুর মেঘনা পর্যটন কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মোঃ দুলাল জানান, আজ আমাদের শাহাবাজপুর মেঘনা পর্যটন কেন্দ্রে অনেক মানুষ ঘুরতে এসেছে। আমাদের এখানে মানুষের বিনোদনের জন্য ঘোড়া, নাগর দোলা, শিশুদের দোলনা, বসার ব্যাঞ্চ, মেঘনা নদীর র্তীরে ঘুরার জন্য স্প্রীড বোর্ডসহ বিভিন্ন সুন্দর্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঘুরতে আসা কাউকে আমরা মাক্স ছাড়া ভিতরে ঢুকতে দেইনা। এছাড়াও সকলকে স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে বলি।
তিনি আরো জানান, করোনার কারণে র্দীঘ দিন আমাদের এখানে মানুষ ঘুরতে না আসায় অনেক লোকসান গুনতে হয়েছিল আমাদের। এবার ঈদে সে লোকসান আসা করি পুষিয়ে উঠবে।