অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ২২শে এপ্রিল ২০২১ | ৮ই বৈশাখ ১৪২৮


তজুমদ্দিনে দুই মেম্বার প্রার্থীর সংর্ঘষ বসতঘর ও দোকান ভাংচুর


তজুমদ্দিন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৪ঠা এপ্রিল ২০২১ রাত ১০:৫৯

remove_red_eye

১০৯



আহত-৩০ জন

তজুমদ্দিন  সংবাদদাতা : ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার ৩নং চাঁদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে  হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৩ মার্চ) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত এ সংঘর্ষে ৯টি বসতঘর, ২টি দোকান ভাংচুরসহ প্রায় ৩০ জনের মতো আহত হয়েছেন। একজন পুলিশের হেফাজতে  রয়েছে। থমথমে পরিস্থিতিতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশের উপস্থিতি রয়েছে।
সরেজমিনে এলাকায় গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানাগেছে, তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন পোদ্দারের ভাই মিজান পোদ্দার চাঁদপুর ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্যপদে নির্বাচন করছেন। একই ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়েছেন কবির গাইন ও মো. রুহুল আমিন। শনিবার মিজান পোদ্দারের কর্মী মো. শাজাহান মাঝির সাথে কবির গাইনের এক কর্মীর পোস্টার ছেঁড়া নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি বেধে যায়। এতে প্রার্থী মিজান পোদ্দার, তাঁর ভাই গিয়াস উদ্দিন পোদ্দারসহ তাদের পক্ষের ১০/১৫ জন আহত হন।
বিকালে মিজান পোদ্দারের সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে গাইন বাড়ীতে হামলা করে কবির গাইন, রবিউল গাইন, নাসির গাইন, বিধবা লাইজু সহ ৯টি বসত ঘর ভাংচুর করে। এলোপাতারি ভাংচুর ও মারপিট করে আরজু বেগম, রহিমা, ফাতেমা, আসমা, মমতাজ,জয়নব, নুর নাহার, মোক্তোল, রবিউল সহ ১৮ জনকে আহত করে। আহতদের মধ্যে ১২ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ও ২ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।আহত অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেন। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কবির গাইন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম জিয়াউর হক জানান, এ ঘটনায় মিজান পোদ্দারের পক্ষ থেকে ২৪ জনকে আসামি করে একটি মামলা হয়েছে। একজন আটক রয়েছে। তবে হুমায়ুন কবির গাইন পক্ষের কেউ এখনও অভিযোগ করেনি। আমাদের তদন্ত চলছে।