অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১৭ই এপ্রিল ২০২১ | ৪ঠা বৈশাখ ১৪২৮


আজ থেকে ভোলাসহ ৬ জেলায় দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০২১ রাত ১০:৫৮

remove_red_eye

৭৯

বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক: জাটকা সংরক্ষণে আজ ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের ছয়টি জেলার পাঁচটি ইলিশ অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সবধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। রোববার (২৮ ফেব্রæয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘জাটকা সংরক্ষণে আগামীকাল (১ মার্চ) থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের ৬টি জেলার ৫টি ইলিশ অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সবধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে।’
এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় বরিশাল, চাঁদপুর, ল²ীপুর, ভোলা, শরীয়তপুর ও পটুয়াখালী জেলার ইলিশ অভয়াশ্রম সংশ্লিষ্ট নদ-নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। পাঁচটি অভয়াশ্রম এলাকা হলো- চাঁদপুর জেলার ষাটনল হতে লক্ষীপুর জেলার চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত মেঘনা নদীর নিম্ন অববাহিকার ১০০ কিলোমিটার এলাকা; ভোলা জেলার মদনপুর বা চর ইলিশা হতে চর পিয়াল পর্যন্ত মেঘনা নদীর শাহবাজপুর শাখা নদীর ৯০ কিলোমিটার এলাকা; ভোলা জেলার ভেদুরিয়া হতে পটুয়াখালী জেলার চর রুস্তম পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীর প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকা। এছাড়াও শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা এবং চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলার মধ্যে অবস্থিত পদ্মা নদীর ২০ কিলোমিটার এলাকা এবং বরিশাল জেলার হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ ও বরিশাল সদর উপজেলার কালাবদর, গজারিয়া ও মেঘনা নদীর প্রায় ৮২ কিলোমিটার এলাকা।
প্রতিবছর মার্চ ও এপ্রিল দুই মাস উল্লিখিত অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে। এ সময় ইলিশের অভয়াশ্রমগুলোতে ইলিশসহ সকল প্রকার মাছ ধরা আইনত দÐনীয় অপরাধ। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তিনি কমপক্ষে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদÐ অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দÐে দÐিত হবেন।
উল্লেখ্য, নিষিদ্ধ সময়ে অভয়াশ্রম সংশ্লিষ্ট ৬টি জেলার জাটকা আহরণে বিরত থাকা ২ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৮ জন জেলেদের জন্য মাসে ৪০ কেজি করে দুই মাসে ৮০ কেজি হারে মোট ১৯ হাজার ৫০২ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল ইতোমধ্যে বরাদ্দ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।