অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ৩০শে নভেম্বর ২০২০ | ১৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭


ভোলায় বাল্যবিয়ে কথা বলে চাঁদাদাবী : আটক হলো ২ কথিত সাংবাদিক


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ই নভেম্বর ২০২০ রাত ১২:০২

remove_red_eye

১৯৭৯

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলায় বাল্য বিয়ের বৈধতার কথা বলে চাঁদাবাজী করতে গিয়ে দুই কথিত সাংবাদিক পুলিশের হাতে আটক হয়েছে। সোমবার রাতে জাতীয় জরুরী সেবা নাম্বার ৯৯৯ এ ভূক্তভূগীরা ফোন দিলে পুলিশ তাদেরকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে। চাঁদাবাজীর অভিযুক্ত ওই সাংবাদিকরা হচ্ছেন, অজুর্ন চন্দ্র দে (৪০) ও তার সহকারী কম্যামেরাম্যান রাসেল (২৫) ।

 

পুলিশ, স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা, জানান, ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনয়নের স্লুইজগেইট এলাকায় সোমবার দুপুরে শানু সরদারের মেয়ের বিয়ের আয়োজন চলে। এসময় স্থানীয় অনলাইন পত্রিকার কথা বলে ভূয়া ২ সাংবাদিক সুমন ও পারভেজ ওই বিয়ে বাড়িতে গিয়ে বাল্য বিয়ে হচ্ছে বলে ৫ হাজার টাকা দাবী করেন। এ সময় স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় এক হাজার পাঁচশত টাকা তাদের দিলে তারা চলে যায়। এ ঘটনার কিছু সময় পর কথিত সাংবাদিক অজুর্ন চন্দ্র দে ও তার ক্যামেরাম্যান রাসেল গিয়ে বাল্য বিয়ের কথা বলে ৫ হাজার টাকা চাঁদাদাবী করে। টাকা না দিলে তারা পুলিশকে জানিয়ে দিবে বলেও ভয়ভীতি  প্রদর্শন করেন ।  তখন মেয়ে পক্ষ জানায় তাদের মেয়ের বাল্য বিয়ে হচ্ছে না। তার পরও তারা ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা দাবী করতে থাকে। এসময় স্থানীয় মেম্বার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। তাদেরকে সাংবাদিক হিসাবে কেউ চিনতে না পারায় সন্দেহ হলে তাদের আটকে রেখে ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দেয়। পরে পুলিশ রাত ৯ টার দিকে কথিত ওই ২ সাংবাদিককে আটক করে ভোলা সদর মডেল থানায় নিয়ে আসেন।

 

ভোলা থানার এসআই শেখ ফরিদ জানান, আটককৃতরা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়েছেন। তবে তাদের কাছ থেকে কোন পরিচয় পত্র পাওয়া যায়নি। তাদের কাছ থেকে একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা উদ্ধার করা হয়েছে।  এব্যাপারে ভূক্তভূগীদের পক্ষ থেকে একটি চাঁদাবাজী মামলার প্রস্তুুতি চলছে।

 

এদিকে অভিযোগ রয়েছে, অজুর্ন চন্দ্র দে বেশ কিছু দিন ধরে নিজে বিভিন্ন স্থানে ভোলা সদর উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিক হিসাবে পরিচয় দিয়ে আসছিলো।

উল্লেখ্য,গত কয়েকদিন আগে ভোলা জেলা আইন-শৃঙ্খলা সভায় ভোলায় অনলাইনে ও ফেসবুকে ফেক আইডির মাধ্যমে ভুয়া হলুদ সাংবাদিকতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি ওঠে।