অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ৩১শে অক্টোবর ২০২৬ | ১৬ই কার্তিক ১৪৩৩


ভোলায় মাছঘাট গুলোতে জমজমাট বেচাকেনা


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩১শে অক্টোবর ২০২৬ সকাল ০৯:১৩

remove_red_eye

৬৬

২২ দিন বন্ধ থাকার পর নদীতে মাছধরা শুরু, ইলিশের পরিমাণ কম হলেও মৎস্য ঘাটে জেলেদের আনন্দ    

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ রক্ষার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে মাছধরা। সকাল থেকেই মাছঘাট গুলোতে জমজমাট বেচাকেনা হয়েছে। এতে করে ভোলার মৎস্য ঘাট ও জেলে পল্লীতে আনন্দ উৎসব বিরাজ করছে।
সরেজমিনে দেখা যায়,ভোর হতেই ভোলার মেঘনা নদীর তুলাতুলি মাছঘাটে একের পর এক আসতে থাকে মাছধরার নৌকা ট্রলার। কেউ নৌকা থেকে ঝুড়িতে মাছ তুলছে। আবার কেউ তা নিয়ে পাইকারি আড়ৎদারদের বাক্সে মাছ নিয়ে যাচ্ছে। মুহুর্তের মধ্যেই শুরু হয় হাক ডাক দিয়ে বেচাকেনা। আবার সেই মাছ বিক্রি হলে তা প্যাকেট করে বরফ দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানোর চলে প্রস্তুতি। এমন দৃশ্য শুধু তুলাতুলি মাছঘাটে নয়, ভোলার ইলিশা, রাজাপুর, শিবপুর, দৌলতখান সহ শতাধিক মাছঘাটে। তবে জেলের বলছে, অভিযানের সময় যে পরিমাণ ইলিশ ছিলো, এখন সেই পরিমাণ মাছ নদীতে নেই। তাই কাঙ্খিত ইলিশ তারা পাচ্ছে না। তার পরও নদীতে মাছ ধরতে পেরে তারা খুশি।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন বলেন, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার ফলে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেরা নদীতে পর্যাপ্ত মাছ পাবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। পাশাপাশি গত বছরের চেয়ে ইংলিশে উৎপাদন বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন এই কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন নদীতে সকল ধরনের মাছধরা, পরিবহন ও সংরক্ষণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে মৎস্য বিভাগ।


মোঃ ইয়ামিন