অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২২শে আগস্ট ২০২৬ | ৬ই ভাদ্র ১৪৩৩


ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্ত্রী হওয়ায় ভোলায় আনন্দের জোয়ার


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১শে আগস্ট ২০২৬ রাত ১১:০৯

remove_red_eye

১৭

জুন্নু রায়হান ॥  ভোলার কৃতিসন্তান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহন করায় ভোলায় আনন্দের জোয়ার বইছে। 
তাঁর মন্ত্রী হওয়ার খবরে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ায় ভোলায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছে তার দলীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা আনন্দ ও উচ্ছাস প্রকাশ করেন। 
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যার পর শহরের নতুন বাজার এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন বিজেপির নেতাকর্মীরা। পরে সেখান থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীদের বিভিন্ন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে নতুন বাজার এলাকা। মিছিল শেষে দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ ভাগাভাগি করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। এসময় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ভোলা জেলা সভাপতি মো. আমিরুল ইসলাম রতন, সাধারণ সম্পাদক মো. মোতাছিম বিল্লাহসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার ব্যারিস্টার পার্থ মন্ত্রী হচ্ছেন এমন   খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পার্থকে অভিনন্দন জানিয়ে বিভিন্ন পোস্ট দিতে দেখা গেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলেন, ভোলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল জেলার একজন যোগ্য ও জনপ্রিয় নেতার জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসা। ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্ত্রী হওয়ায় ভোলার মানুষের প্রত্যাশা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে জেলার যোগাযোগব্যবস্থা, নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা, বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করছেন তারা।


উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মত সাংসদ নির্বাচিত হন ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ। নির্বাচনে তিনি ১ লাখ ৫ হাজার ৫৪৩ ভোট পেয়ে  জয়ী হন।  পরবর্তীতে জাতীয় সংসদে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পান তিনি।
ভোলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মনে করছেন, পার্থের নতুন দায়িত্ব জেলার জন্য একটি বড় অর্জন। তাঁর নেতৃত্বে ভোলার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন স্থানীয়রা।