অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ২৫শে জুন ২০২৬ | ১১ই আষাঢ় ১৪৩৩


সুরঞ্জিতকে হত্যাচেষ্টা মামলায় আরিফুল-বাবর ও গউছরা খালাস


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫শে জুন ২০২৬ বিকাল ০৫:৪২

remove_red_eye

৩৯

প্রায় ২২ বছর পর ঘোষণা করা হলো সাবেক রেলমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ততে হত্যাচেষ্টা মামলার রায়। এতে বিকসুর খালাস পেলেন বর্তমান প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছসহ ৯ জন। 

তবে একই মামলায় এক আসামি সৈয়দ নাঈম আহমদ আরিফ ওরফে নিমুকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সুরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার দিন সকালে আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর ও জি কে গউছসহ আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আবুল হোসেন। 

তিনি জানিয়েছেন, এ মামলায় ১২৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার একমাত্র দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সৈয়দ নাঈম আহমদ আরিফ ওরফে নিমুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মামলার আরও দুই আসামি- জেএমবি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান মুন্সী ও বিপুল-অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় তাদের বিচারিক কার্যক্রম আগেই নিষ্পত্তি হয়েছে। এছাড়া পলাতক আসামি মাওলানা তাজ উদ্দিনসহ ৯ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- জেএমবি নেতা মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান (মফিজ/অভি), মুফতি মঈন উদ্দিন (আবু জান্দাল/মাসুম বিল্লাহ/খাজা), আব্দুল মাজেদ ভাট (ইউসুফ ভাট), নাজিউর রহমান নাজু (নাজমুল হক নাজু/নাজিমুল হক) প্রমুখ।

আদালত সূত্র জানায়, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। পরে ৭ এপ্রিল ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের বক্তব্য গ্রহণ করেন বিচারক। এ সময় আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গৌছ এবং লুৎফুজ্জামান বাবর নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক জনসভায় গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। হামলায় যুবলীগের এক নেতা নিহত হন এবং অন্তত ২৯ জন আহত হন। সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে হত্যার উদ্দেশেই হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ।

ঘটনার তদন্ত শেষে বিভিন্ন সময়ে আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর, জি কে গউছসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরবর্তীতে আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেন। তবে অবশেষে তারা খালাস পেলেন।