অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ | ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩


প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতায় মনপুরা আফিফা জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয়


মনপুরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৭ই জুন ২০২৬ রাত ১০:২৯

remove_red_eye

৯৮

শিক্ষামন্ত্রীর কাছ থেকে নিলেন সম্মাননা স্মারক

মনপুরা  প্রতিনিধি : ভোলার দ্বীপ উপজেলা মনপুরার পঞ্চম শ্রেণীর মেধাবী শিক্ষার্থী আফিফা সিদ্দিকা প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করে। 

এই কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে সম্মাননা স্মারক (ক্রেস্ট) প্রদান করেন শিক্ষা মন্ত্রী এহসানুল হক মিলন।

উপকূলের সন্তান জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন ও শিক্ষা মন্ত্রীর কাছ থেকে ক্রেস্ট গ্রহন করায় উপকূল জুড়ে বইছে আনন্দের জোয়াড়।

বুধবার দুপুর ১ টায় মেধাবী শিক্ষার্থীর বাবা সাইফুল ইসলাম এই তথ্য সাংবাদিকদের জানান।

এর আগে গত সোমবার দেশের ৮ বিভাগের প্রতিযোগিদের সাথে অঙ্ক ও দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করে। পরে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের কাছ থেকে ক্রেস্ট গ্রহন করেন আফিফা।

আফিফা সিদ্দিকা হুমায়রা ফয়েজউদ্দিন গোমাতলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলামের সন্তান।

জানা যায়, প্রতিযোগিতার শুরুতে ইউনিয়ন পর্যায়ে অংশ নিয়ে উপজেলার ১৬টি বিদ্যালয়ের প্রতিযোগীদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেন আফিফা। এরপর উপজেলা পর্যায়ে পাঁচজন বিজয়ীর মধ্যে প্রথম হন তিনি।

গত ৭ জুন জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় ভোলার সাতটি উপজেলার প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রথম স্থান লাভ করেন এই ক্ষুদে শিক্ষার্থী। পরে ৯ জুন বরিশাল বিভাগীয় পর্যায়ে ছয় জেলার ছয়জন প্রতিযোগীর মধ্যে আবারও প্রথম হয়ে জাতীয় পর্যায়ের জন্য নির্বাচিত হন।

আফিফার এই অসাধারণ সাফল্যে মনপুরাজুড়ে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা তার অর্জনকে দুর্গম উপকূলের শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি অনন্য মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।

এই ব্যাপারে চর ফয়েজউদ্দিন গোমাতলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইউনুস বলেন, আফিফা শুরু থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। তার এই সাফল্যে আমরা বিদ্যালয় পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। ভবিষ্যতেও সে আরও বড় অর্জন করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

এই ব্যাপারে হাজিরহাট সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, মনপুরার মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য প্রমাণ করে, সুযোগ ও সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে গ্রামের শিক্ষার্থীরাও দেশসেরা হতে পারে।