অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ১৬ই জুন ২০২৬ | ২রা আষাঢ় ১৪৩৩


বর্ণাঢ্য এক রাজনৈতিক ফিনিক্স


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১লা জুন ২০২৬ রাত ০৮:২৭

remove_red_eye

৯৪

বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক: ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)।

সোমবার (১ জুন) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তোফায়েল আহমেদ সর্বশেষ ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মৌলভী আজহার আলী ও মা ফাতেমা বেগম। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও একমাত্র সন্তান ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নীকে রেখে গেছেন।

 

একাডেমিক জীবনে ১৯৬০ সালে ভোলা সরকারি হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৬২ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৪ সালে বিএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানে এমএসসি সম্পন্ন করেন।

রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদের হাতেখড়ি হয় ছাত্রলীগের মাধ্যমে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন ১৯৬৬-৬৭ মেয়াদে ইকবাল হলের (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) নির্বাচিত ভিপি ছিলেন।

১৯৬৮-৬৯-এ গণজাগরণ ও ছাত্র আন্দোলনে তিনি ডাকসুর ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের কারণে শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সব আসামিকে মুক্তি দেয় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার।

কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সেই বছরেরই ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্‌রাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি ঘোষণা দেন তোফায়েল আহমেদ।

 

প্রথমবারের মতো ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয় লাভ করেন তিনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি মুজিব বাহিনীর অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন।

দেশ স্বাধীনের পরের বছর ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব লাভ করেন।

পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নিজের জেলা ভোলা থেকে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন।

১৯৯৬ সালের ২৩ জুন তিনি শেখ হাসিনা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে ২০১৩-১৮ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন।

রাজনৈতিক কারণে ১৯৭৫ সাল থেকে টানা ৩৩ মাসসহ অসংখ্যবার কারাভোগ করেন এই নেতা।





মনপুরা থেকে জাতীয় মঞ্চে অংক দৌড়ে তৃতীয় আফিফা

মনপুরা থেকে জাতীয় মঞ্চে অংক দৌড়ে তৃতীয় আফিফা

বোরহানউদ্দিনে আর্জেন্টিনা দলের সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

বোরহানউদ্দিনে আর্জেন্টিনা দলের সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

ভোলায় রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন

ভোলায় রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন

ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার  কমিটি অনুমোদন : সভাপতি জেলা প্রশাসক ডা.শামীম রহমান  সদস্য সচিব মুনতাসীর আলম রবিন

ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটি অনুমোদন : সভাপতি জেলা প্রশাসক ডা.শামীম রহমান সদস্য সচিব মুনতাসীর আলম রবিন

ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হলেন মুনতাসির আলম চৌধুরী রবিন

ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব হলেন মুনতাসির আলম চৌধুরী রবিন

সংসদে আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন, সভাপতি পার্থ

সংসদে আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন, সভাপতি পার্থ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সব অংশীজনকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সব অংশীজনকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সমৃদ্ধির পথে যাবো: অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সমৃদ্ধির পথে যাবো: অর্থমন্ত্রী

পবিত্র আশুরার তারিখ নির্ধারণে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা কাল

পবিত্র আশুরার তারিখ নির্ধারণে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা কাল

আরও...