অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ৫ই এপ্রিল ২০২৬ | ২২শে চৈত্র ১৪৩২


এখনই বড় পরিবর্তন নয়, জ্বালানি সাশ্রয়েই জোর সরকারের


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩১শে মার্চ ২০২৬ বিকাল ০৫:৫০

remove_red_eye

৬৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশেও জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। জ্বালানি তেল নিতে মানুষকে দীর্ঘক্ষণ পেট্রোল পাম্পগুলোতে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। সরকার বলছে, সরবরাহ পর্যাপ্ত হলেও আতঙ্কিত হয়ে তেল কেনা ও অবৈধ মজুতের কারণে এ সংকট। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে নানা পদক্ষেপও নিচ্ছে সরকার।

প্রশাসনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে কয়েক দফা নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, জ্বালানি সংকট থেকে সহসাই উত্তরণের কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। এ প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সাশ্রয়ে প্রশাসনে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো বা ভার্চুয়ালি অফিস করাসহ বড় ধরনের পদক্ষেপের বিষয় রয়েছে আলোচনায়।

তবে সরকারের দায়িত্বশীলরা জানান, এখনো জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলা যায়। যেটুকু সংকট সেটাও প্যানিক বাইংয়ের (আতঙ্কিত হয়ে বেশি কেনা) কারণে। আগামীকাল বুধবার থেকে শুরু হতে যাওয়া এপ্রিল মাসেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার মতো জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে। তাই আপাতত নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাশ্রয়ীভাবে জ্বালানি ব্যবহার করলেই পরিস্থিতি চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

jagonews24.com

তবে আগামীর জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রশাসন কীভাবে চলবে, সে বিষয়ে পরবর্তী মন্ত্রিসভা বৈঠকে আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানান সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার বিভিন্ন নির্দেশনা দিলেও অনেকেই তা মানেন না। তাই এসব নির্দেশনা কতটা কাজে আসছে সেটি একটা প্রশ্ন। এটাও ঠিক, যুদ্ধ সহসা থামছে এমনটাও মনে হচ্ছে না। তাই আগামী দিনে জ্বালানি সাশ্রয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। সেই পদক্ষেপগুলো কী হতে পারে সেটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন সাংবাদিকদের জানান, বেশিরভাগ অভিভাবক চাচ্ছেন অনলাইন ক্লাস। কিন্তু সরকার চাচ্ছে অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনে ক্লাস নেওয়ার। তাই সপ্তাহে কতদিন অনলাইন আর কতদিন অফলাইনে ক্লাস নেওয়া হবে তা নির্ধারণ করে প্রস্তাব প্রস্তুত করা হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে মন্ত্রিসভা।

জ্বালানি সাশ্রয়ে প্রশাসন পরিচালনার ক্ষেত্রে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত আসছে কি না—জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রশাসনের কার্যক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার বিষয়ে কোনো চিন্তা-ভাবনা সরকারের নেই। কারণ আমাদের তো এখনো জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, মানুষ বিভিন্ন জায়গায় মজুত করছে, সে খবর তো আমরা পাচ্ছি। এটা করছে কারণ লোকজনের একটা ধারণা যে, জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাবে। কিন্তু সরকার তো তেলের দাম বাড়াবে না।’

jagonews24.com

সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো বা ভার্চুয়ালি অফিস করার কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কি না—এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো আলোচনা নেই। সেদিকে কেন যেতে হবে? তেমন পরিস্থিতি কী আমাদের এখানে সৃষ্টি হয়েছে? পরিস্থিতি বিবেচনা করে তো আমরা এরই মধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছি, বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।’  

এছাড়া আগামী মাসেও তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও মজুত থাকবে। কারণ সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে তেল আনছে বলেও জানান আব্দুল বারী।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, ‘জ্বালানি তেলের বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রশাসনের করণীয় বিষয়ে আমরা এরই মধ্যে নির্দেশনা দিয়েছি। সেভাবেই চলছে এবং চলবে। অন্য কোনো পদক্ষেপ নিয়ে এখনো কোনো আলোচনা নেই। হোম অফিস করার মতো আমাদের অবকাঠামো এখনো গড়ে ওঠেনি, কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়তো সম্ভব। কিন্তু, এটি নিয়েও এখনো সরকারি পর্যায়ে কোনো চিন্তা-ভাবনা হয়নি। সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো নিয়েও কোনো আলোচনা নেই।’  

তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, আগামী বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভা বৈঠকে সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে কিছু সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তবে কী সিদ্ধান্ত হয় সেটি আগে থেকে ধারণা করা মুশকিল।   

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যত নির্দেশনা

গত ৫ মার্চ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে ১২টি নির্দেশনা দেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এতে বলা হয়, বর্তমান সময়ে বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করা প্রয়োজন। সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ও করপোরেশনসহ সব অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে নিম্নোক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে—

  • দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে এবং জানালা ও দরজা কিংবা ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে।
  •  বিদ্যমান ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইটের ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
  • অফিস চলাকালীন প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে।
  • এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখতে হবে।
  • অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় কক্ষের বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে।
  • অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম প্রভৃতি স্থানে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
  • বিদ্যুৎসাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে।
  • অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি (লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি) বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
  • যাবতীয় আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে।
  • গাড়ির ব্যবহার সীমিত করতে হবে।
  • জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে।

এরপর সর্বশেষ গত ২৯ মার্চ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকালে বাধ্যতামূলকভাবে অফিসে ৪০ মিনিট অবস্থান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় এবং অফিস কক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে ১১টি নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অধীন দপ্তর-সংস্থা এবং মাঠ প্রশাসনের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে এই নির্দেশনার চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ অফিস কক্ষে আবশ্যিকভাবে অবস্থান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়সহ দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনা প্রতিপালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হচ্ছে। এমতাবস্থায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এর আগে পাঠানো দুটি চিঠি অনুসরণ করে ১১টি নির্দেশনা প্রতিপালনের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে—

  •  প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ অফিস কক্ষে আবশ্যিকভাবে অবস্থান করতে হবে। দাপ্তরিক কর্মসূচি প্রণয়নের ক্ষেত্রেও এ সময়সীমা যেন বিঘ্নিত না হয়, সেই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
  •  দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে এবং জানালা ও দরজা কিংবা ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে।
  • অফিস চলাকালীন শুধু প্রয়োজনীয় সংখ্যক লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে।
  • এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখতে হবে।
  • অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় কক্ষের বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে।
  • অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ইত্যাদি স্থানে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
  • অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি (লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি) বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
  • সরকারি নির্দেশনা ছাড়া আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে।
  • জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে।
  • অফিস কক্ষ, করিডোর, টয়লেট, সিঁড়ি, সিঁড়ির হাতল ইত্যাদি নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
  • এসব নির্দেশনা প্রতিপালন বা মনিটরিংয়ের জন্য সব দপ্তর/সংস্থা/কার্যালয়কে ভিজিল্যান্স টিম গঠন করতে হবে।

এপ্রিলের জ্বালানি তেল পরিস্থিতি

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী জানান, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে। আগামী এপ্রিল মাসেও বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি আসছে। তাই উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু নেই।

আগামী মাসের জ্বালানি তেল আমদানির পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, তেলবাহী একটি কার্গো গত ৩০ মার্চ দেশে এসেছে। অপর একটি আসবে আগামী ৩ এপ্রিল। এই দুটি আমরা পাচ্ছি, এগুলো একদম নিশ্চিত চলে আসছে। এখানে আছে প্রায় ৫৪ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন।

একই সঙ্গে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল) থেকে ৭ হাজার টন যুক্ত হবে বলে জানান যুগ্ম সচিব। তিনি আরও বলেন, ‘এরপর মালয়েশিয়ার বিএসপি থেকে দুটি (কার্গো) পাবো, ইউনিপ্যাকের একটি পাবো। আরও প্রায় যুক্ত হবে ১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনের মতো।’

মনির হোসেন বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ উদ্বিগ্ন না হয়ে আমরা মানুষকে আশ্বস্ত করি যে আমাদের পর্যাপ্ত মজুত আছে।’

jagonews24.com

বৈশ্বিক সংকট শুরু হওয়ার পর জ্বালানি তেল সংগ্রহের কূটনৈতিক তৎপরতার বিষয়ে তিনি বলেন, আপনারা জানেন রাশিয়া থেকে তেল আমদানির জন্য ইন্ডিয়াকে একটা স্যাংশন ওয়েভার দিয়েছিল (যুক্তরাষ্ট্র), ঈদের আগের দিন আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে সরকারের মিটিংয়ে আমিও ছিলাম। মিটিংয়ে ওনাদের বোঝাতে চেষ্টা করেছি যে, রাশিয়া থেকে যেন আমাদের অন্তত দুই মাসের অথবা ছয় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আনার অনুমতি দেয়, স্যাংশন ওয়েভার দেয়।

‘সেটা ওনারা (যুক্তরাষ্ট্র) বলেছে চিঠি দিতে, আমরা সেই চিঠিটা দিয়েছি। ঈদের পরদিন খুব সম্ভবত। এখন আমরা উত্তরের অপেক্ষায় আছি। এটুকুই হচ্ছে এই ব্যাপারে অগ্রগতি।’

চুক্তির আওতায় ভারত থেকেও এখন নিয়মিত তেল পাওয়া যাচ্ছে জানিয়ে যুগ্ম সচিব মনির হোসেন বলেন, এর বাইরে আমরা ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬০ হাজার মেট্রিক টনের দুটি কার্গো শিগগিরই পাবো বলে প্রত্যাশা করছি। এর বাইরে বিকল্প সোর্সগুলো কী হতে পারে, সেটি এক্সপ্লোর করছি প্রতিনিয়ত। যেহেতু এটা আমাদের একটু সংকুচিত হয়ে গেছে, সেজন্য বিকল্প সোর্স খুঁজছি। আর কোথায় কোথায় পাওয়া যায়। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, এঙ্গোলা, অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে।

যুগ্ম সচিব আরও বলেন, আমরা কিছু কিছু ক্ষেত্রে আশ্বাস পেয়েছি। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ও এঙ্গোলা থেকে এক কার্গো করে এলএনজি আমরা পেয়েছি।