অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ১লা অক্টোবর ২০২০ | ১৬ই আশ্বিন ১৪২৭


চরফ্যাশনে সাংবাদিকের উপর হামলার অভিযোগে মামলা নেয়নি পুলিশ


চরফ্যাসন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২০ রাত ০৯:৩৮

remove_red_eye

১০৪



এআর সোহেব চৌধুরী ,চরফ্যাশন : চরফ্যাসন উপজেলার দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার নিজস্ব সংবাদদাতা ও দৈনিক সময়ের চিত্র পত্রিকার সম্পাদক এআরএম মামুন এর উপর  সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা থানায় মামলা দিলেও পুলিশ তা রেকর্ড করেনি। ঘটনার ৪ দিন পেরিয়ে গেলেও কোন আসামী আটক করেনি। এদিকে সাংবাদিকদেও উপর হামঅর ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজ ও বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ সকল শিক্ষক ও শিক্ষিকা বৃন্দ। সোমবার (০৭সেপ্টেম্ব) সংগঠন গুলোর সভাপতি ও সম্পাদকের স্বাক্ষরিত পত্রে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তারা সাংবাদিকের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানান।

শিক্ষক নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকরা সমাজ ও রাষ্ট্রের দর্পন। যে কোন ঘটনাকে জনগনের কাছে পৌছে দেন তারা। সংবাদ প্রকাশের জের ধরে সাংবাদিকের উপর হামলা একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে, যা উদ্বেগজনক। চরফ্যাশনে সাংবাদিক মামুনের ওপর হামলা ঘটনা একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা।

জানা যায়, সংবাদ প্রকাশের জের ধরে গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় চরফ্যাশন সদর কালিবাড়ী সড়কে সাংবাদিক মামুনের উপর একদল সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা করে। এই ঘটনায় এআরএম মামুন বাদী হয়ে চরফ্যাশন সদর থানায় এজহার দাখিল করেন।

এদিকে থানায় দায়েরকৃত ওই এজাহারটি মামলা হিসেবে না নেয়ায় এবং অভিযুক্তদের আটক না করায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সাংবাদিক মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

এঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে অনতিবিলম্বে এজহারটি আমলে নিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক গোলাম হোসেন সেন্টু, জাকির হোসেন এবং মাহাবুবকে গ্রেফাতারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ভোলা জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন চরফ্যাশন প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ অনলাইন জার্নালিষ্ট অ্যাসোসিয়েশন, চরফ্যাশন উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন গনমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিবৃন্দ।

আহত সাংবাদিক মামুন জানান, সম্প্রতি দক্ষিণ চর মঙ্গল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘূর্ণীঝড় আম্পানে বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও ওই বিদ্যালয়ে বরাদ্ধ নেয়া হয়। বরাদ্ধকৃত ওই টাকা ভুয়া বিল ভাউচার দিয়ে উত্তোলন করে প্রধান শিক্ষক গোলাম হোসেন সেন্টু আত্মসাত করেন। এবং বাবুর হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীর ঘটনার সংবাদ প্রকাশ করা হয়। ওই সংবাদ প্রকাশের জের ধরে গত শুক্রবার রাতে চরফ্যাশন সদরের কালী বাড়ি রোডে তার উপর এ হামলা করেন অভিযুক্তরা।

ঘটনার পরদিন শনিবার তিনি অভিযুক্ত তিন শিক্ষককে আসামী করে চরফ্যাশন থানায় এজাহার দাখিল করেন।

চরফ্যাশন থানার ওসি মো.মনির হোসেন মিয়া বলেন,তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ লিখিত এখটি অভিযোগ দাখিল করেছেন।