অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৫ই আশ্বিন ১৪২৭


সমুদ্র সৈকতের রুপ নিয়েছে চরফ্যাশনের খেজুরগাছিয়া


চরফ্যাসন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৪ঠা সেপ্টেম্বর ২০২০ রাত ১০:২৭

remove_red_eye

৭৬



এআর সোহেব চৌধুরী, চরফ্যাশন :  মেঘনার ঘোলা জলরাশি আর ঢেউয়ের দোলায় মাছ ধরার  ট্রলার ও নৌকার ছুটে চলা যেন সভ্যতার গন্তব্যে গড়ে তুলেছে আপন ঠিকানা। চোখের সামনেই আকাশ যেন নেমে এসেছে নদীর কূলে। বালি আর জলের অবিচ্ছেদ্য বন্ধুত্বই যেন মিনি কক্সবাজারের রূপ নিয়েছে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার খেজুরগাছিয়ার এ সৈকতে। উপজেলার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়ন থেকে দুই কিলোমিটার দূরে এ খেজুরগাছিয়ায় রয়েছে দৈর্ঘ্য ও প্রসস্তে র্দীঘ আয়োতনের সমুদ্র বিচ এবং নদী সংলগ্ন রকমারী উদ্ভিদে ঘেরা সবুজে আচ্ছন্ন কেওরা বন।
পাশের মৎস ঘাট থেকে সমুদ্রের পানে ছুটে চলা রং বেরঙ্গের নৌকা ও ট্রলারে করে জাল ফেলার ছবিও যেন শিল্পির তুলিতে এক জলচিত্র।
এছাড়াও খেজুরগাছিয়ার বিচে ঈদ ও পূজাসহ বিভিন্ন উৎসবে ঘুরতে আসে শত,শত পর্যটক। ঘুরতে আসা পর্যটকরা বলছেন অপার সম্ভাবনাময় চরফ্যাশনের উপকূলীয় এলাকাগুলো যদি অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে বিনোদনের পর্যাপ্ত সুযোগ ও পর্যটক আকর্ষনে বহুমাত্রিক পরিকল্পনা গ্রহন করা হয় তাহলে উপজেলার অন্যান্য অঞ্চলের বিনোদনসহ খেজুরগাছিয়া পর্যটন এলাকা থেকেও সরকার লাভবান হবে।
এ অঞ্চলে বিনোদনের অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য উপকূলীয় অঞ্চলকে সম্ভাবনাময় পর্যটনের দ্বারপ্রান্তে নিতে চায় স্থানিয় সংসদ সদস্য যুব ও ক্রিড়া মন্ত্রণালয়ের স্থায়ি কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব। আর তাই জ্যাকবের প্রচেষ্টায় চরফ্যাশন ও মনপুরা অঞ্চলে প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের পাশাপাশি অসংখ্য বিনোদনমূলক স্থাপনা নির্মান করা হয়েছে।
এছাড়াও বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল কুকরি-মুকরি ইউনিয়নসহ সমুদ্র সৈকত চর তারুয়াকে ইকো টুরিজমের আওতায় আনা হচ্ছে।

স্থানীয়রা বলছেন, উপকূল সুরক্ষায় উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহনের মাধ্যমেই টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মানে  রঙ্গিন পর্যটনমূলক ব্যবস্থাপনা গড়ে তুললেই দক্ষিনের জনপদ চরফ্যাশন হবে পর্যটনের এক সম্ভানার নতুন দিগন্ত।