অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ২রা অক্টোবর ২০২০ | ১৬ই আশ্বিন ১৪২৭


ভোলাসহ উপকূলকে রক্ষায় বাঁধের উচ্চতা বৃদ্ধি করতে সমীক্ষা চলছে : পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৪ঠা সেপ্টেম্বর ২০২০ রাত ০৮:৪৪

remove_red_eye

৫৩



বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক : জনচ্ছাস থেকে ভোলাসহ উপকূলীয় এলাকাকে রক্ষা করার জন্য  বাঁধের উচ্চতা বৃদ্ধি কররতে সমীক্ষা চলছে। সমীক্ষা শেষে সিদ্বান্ত হলে বাঁধের উচ্চতা ১৮ ফুট করা হবে। আজ শুক্রবার সকালে ভোলা সদেরর ইলিশা বেড়ি বাঁধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের  প্রকল্প পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এসব কথা বলেন।
 তিনি আরো বলেন, উকূলীয় এলাকায় ষাট আশির দশকে বাঁধ ছিলো ১২ ফুট  উচ্চতায়। আমরা ফনী,বুলবুল, আম্পানের সময় দেখিছি জলচ্ছাস অনেক উপর দিয়ে যায়। তার জন্য প্রকল্প রিভাইজ করা হচ্ছে। উচ্চতা বাড়ানোর জন্য সমিক্ষা চলছে। সমীক্ষা শেষ হলে সিদ্বান্ত হলে উচ্চতা বাড়ানো হবে। নতুন প্রকল্পে উচ্চতা বাড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন ভোলার শিবপুর ধনিয়া এলাকার জন্য ৪.৫ কিলোমিটারের একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই আমি ভোলাতে এসেছি।  তিনি আরও বলেন, অতীতে মন্ত্রীরা বিভিন্ন যায়গায় নদী ভাঙ্গন দেখতে খুব কম আসতো। এর কারণ হচ্ছে, সে-সময় বাংলাদেশে অর্থনৈতিকভাবে এত শক্তিশালী ছিলোনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন অর্থনীতির দিকদিয়ে অনেক শক্তিশালী।  বর্তমানে দৌলতখানের মেঘনা ভাঙ্গন রোধে একটি প্রকল্পের কাজ চলছে। আরও একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। সেটা অবশ্যই আমরা হাতে নিবো।

 
জাহিদ ফারুক আরো বলেন, আমাদের ঘনবসতীর কারণে অনেকে বাঁধের উপর ঘর বানিয়ে বসবাস করে। এর ফলে বাঁধে ইদুর বাসা তৈরি করে।  উপর দিয়ে সব ঠিক থাকলেও হটাৎ করে দেখা যায় নিচ থেকে বাঁধ ধসে যায়। তাই বাঁধের উপর মানুষের বসত করাকে আমাদের নিরুৎসাহীত করতে হবে।  
পরে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী দৌলতখান,বোরহানউদ্দিন,লালমোহন,তজুমদ্দিন ও চরফ্যাসন উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের চলমান প্রকল্প ও নদী ভাঙ্গন প্রবণ এলাকা পরিদর্শন করেন।  
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুর রহমান, জেলা প্রশাসক মো: মাসুদ আলম সিদ্দিক, পুলিশ সুপার সরকার মো: কায়সার, আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাবৃন্দ।