অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৫ই আশ্বিন ১৪২৭


বঙ্গপোসাগরে ট্রলার ডুবির ৬দিনেও উদ্ধার হয়নি ভোলার চরফ্যাশন সাত জেলে


এ আর সোহেব চৌধুরী

প্রকাশিত: ৩০শে আগস্ট ২০২০ রাত ০৮:১৩

remove_red_eye

৩৩২



চরফ্যাশন প্রতিনিধি: বঙ্গপোসাগরের গভীরে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার মাছধরার ট্রলার ডুবির ঘটনায় ৬দিনেও উদ্ধার হয়নি নিখোাঁজ সাত জেলে।

রবিবার (৩০আগস্ট) দুপুরে দুলারহাট থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫আগস্ট সকাল ১১টায় সমুদ্রে মাছধরার ওই ট্রলারটি ঘূর্নিঝরে পড়ে ১৭জন মাঝিমাল্লাসহ ডুবে গেলে ১০জেলে উদ্ধার হলেও নিখোঁজ রয়েছেন সাত জেলে। ডুবে যাওয়া ওই ট্রলারের মালিক মুজিব নগর ইউনিয়নের সালাউদ্দিন মাঝি। তিনি জানান, গত ২৫ আগস্ট ট্রলারটি নিয়ে জেলেরা সমুদ্রে গেলে ঝরের কবলে পড়ে ডুবে যায় তবে কাছে থাকা অন্য একটি ট্রলার এসে ১০ জেলেকে উদ্ধার করতে পারলেও বাকি সাত জেলের এখোন পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ জেলেরা হলেন, মুজিবনগর ৮নং ওয়ার্ডের নজির আহমদের ছেলে আলমগীর (৩৫),বশির মাঝির ছেলে জাকির হোসেন (৩৭) আঃরব ফরাজির ছেলে আঃ ছালাম (৪৫), মহিউদ্দিনের ছেলে আলি আজগর (২৫) চাঁদ মিয়ার ছেলে বাবুল (৪০) ও হাসেমের ছেলে আবু সর্দার (৪৫) এবং সামস উদ্দিন(৪০)।

উপজেলার দুলারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ ইকবাল হোসেন জানান, সমুদ্র থেকে ১০ জেলে উদ্ধার হলে কক্সবাজার থানাপুলিশ চরফ্যাশনের নিখোঁজ সাত জেলের বিষয়ে আমাদের একটি বার্তা পাঠায়। কক্রবাজার ও বাশঁখালি থানা সূত্রে জানা গেছে কক্রবাজার সমুদ্র উপকূল থেকে প্রায় ৫ঘন্টা পথের গভির সমুদ্রে ট্রলারটি ডুবে যায় তবে ১০ জেলে উদ্ধার হলেও ৭জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজের স্বজনরা জানান, নিখোঁজ জেলেদের সন্ধ্যানে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগীতা তারা পায়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মারুফ হোসেন মিনার জানান, ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ জেলেরা ছয় মাসের ভিতর উদ্ধার না হলে বা ফিরে না আসলে নিখোঁজ পরিবারকে সরকারি সহায়তা দেয়া হবে। চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ জেলেদের সন্ধ্যানে চট্টগ্রাম নৌ-বাহীনির সাথে আমাদের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।