অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ২রা অক্টোবর ২০২০ | ১৬ই আশ্বিন ১৪২৭


মেঘনার তীব্র স্রোত ও কিষাণী ফেরি বিকল : ভোলা-লক্ষীপুর রুটে তীব্র যানজট দুর্ভোগ চরমে


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯শে আগস্ট ২০২০ রাত ১২:১১

remove_red_eye

২০০



বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক : দুর্যোগপূর্ন আবহাওয়ার  ও একটি ফেরি বিকল হয়ে যাওয়ায় ভোলা-লক্ষীপুর নৌ রুটে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে মঙ্গলবার সকাল থেকে ২ প্রান্তে কয়েক শত যানবাহন আটকা পড়ে রয়েছে। পন্যবাহি পরিবহন শ্রমিকরা তাদের মালামাল নিয়ে ইলিশাঘাটে চরম দুর্ভোগ রয়েছে। কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তাও নিশ্চিত না জানায় পরিবহন শ্রমিকরা তাদের গাড়ির পন্য নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তার মধ্যে।
স্থানীয় সূত্র গুলো জানিয়েছে, দেশের দক্ষিন পশ্চিম অঞ্চলের ২১ জেলার সাথে বন্দর নগরি চট্রোগ্রামের  যাতায়তের সহজ যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে ভোলার ইলিশা ও লক্ষীপুরের মৌজু চৌধুরীর হাট নৌ রুট।  ব্যস্ততম এই রুট দিয়ে বিআইডব্লিউটিসির ৩টি ফেরিতে প্রতিদিন ২ প্রান্তে কয়েক শত যানবাহন পারাপার করে। কিন্তু গত কয়েক দিনের দুর্যোগপূর্ন আবহাওয়া কারনে নিন্মচাপের প্রভাবে ভোলার মেঘনা নদীর তীব্র স্রোতে ফেরি চলাচল ব্যহত হচ্ছে। এছাড়াও অস্বাভাবিক জোয়ার এলেই তলিয়ে যায় ইলিশা ফেরিঘাট। তখন ফেরিতে যানবাহন ওঠা নামা থাকে বন্ধ। তার উপর মঙ্গলবার ভোর রাত থেকে কিষানী ফেরি  হঠাৎ বিকল হয়ে যায়। যার ফলে খারাপ আবহাওয়ার কারনে  এক দিকে যেমন ফেরির ট্রিপ কমে গেছে , তেমনি একটি ফেরি বিকল হয়ে যাওয়ায় যানবাহন পারাপার কমে গেছে। তাই ২ পাড়ে কয়েক শত পরিবহন আটক পড়ে রয়েছে। পরিবহন শ্রমিকরা জানান, তারা অনেকেই বৈরী আবহওয়ার কারনে ৪/৫ দিন ধরে ইলিশা ঘাটে আটকা রয়েছে। তাদের দূরপাল্লার যানবাহন গুলোর মালামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই এসব মালামাল নিয়ে  পরিবহন শ্রমিকরা রয়েছে চরম বিপাকে। একই সাথে তাদের থাকা খাওয়া ও টয়লেট সমস্যায় রয়েছে।  ফেরি সংকটের কারনে অনেক যাত্রীবাহি ব্যাক্তিগত পরিবহন গুলো ঘাটে আটকা পড়ায় চরম দুর্ভোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে ভোলা-লক্ষীপুর রুটে ফেরি সর্ভিসের ব্যবস্থাপক কে এম এমরান খান জানান, এ রুটে আগে প্রতিদিন ৩টি ফেরি ৬টি করে ট্রিপ  দিতো। কিন্তু গত কয়েক দিনের  বৈরী আবহাওয়ার কারনে তীব্র স্রতের কারনে ও হঠাৎ মঙ্গলবার ভোর রাত থেকে ১টি ফেরি বিকল হওয়ায় ২টি ফেরি এখন মাত্র ২টি ট্রিপ দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে ২/১ দিনের মধ্যে নতুন একটি ফেরি চলে আসলে ও আবহাওয়া ভাল হলে সমস্যা সমাধান  হবে বলে তিনি সাংবাদিকদেও কাছে আশা প্রকাশ করেন।