অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ১৩ই মে ২০২৬ | ৩০শে বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ই আগস্ট ২০২০ রাত ০৯:৩০

remove_red_eye

৬৪৭



এম শরীফ আহমেদ : ভোলায় দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন ছোট-বড় মাছ বিলুপ্তির পথে। হারিয়ে যাওয়া ওইসব মাছের স্বাদ ভুলে যাচ্ছে মানুষরা। কয়েক বছর আগেও জেলার বিভিন্ন এলাকার ছোট-বড় নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবায় এবং ফসলী ক্ষেতে প্রচুর দেশীয় প্রজাতির মাছ পাওয়া যেতো।

একশ্রেণীর মানুষ মাছ ধরাকে তাদের পেশা হিসেবে নিয়েছিল। কিন্তু যত্রতত্র মাছ আর পাওয়া না যাওয়ায় সেই জেলেরা বর্তমানে বিভিন্ন রকম পেশা বেছে নিয়েছে। বিলুপ্ত হওয়ার পথে মাছ গুলোর মধ্যে রয়েছে, ঢেলা, পাবদা, দাড়কানা, কৈ, তিন কাঁটা আইড়, তেলটুপি, গাড্ডু টাকি, ভেদা, মাগুড়, বড় শৈল প্রভৃতি।

ইদানীং পুঁটি, জাতটাকি, চিংড়ি, তিতপুঁটি, টেংরা, জিয়ল শিং,  চান্দা, বাইম মাছগুলোও হাটবাজারে তেমন চোখে পড়ে না। মাঝেমধ্যে পাওয়া গেলেও দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।

এক সময় এ জেলার বিভিন্ন  উপজেলার গ্রামের অনেক পরিবারের প্রধান পেশা ছিল মাছ ধরা। কিন্তু এখন বিলে পানি না থাকায় আর মাছের সেই জৌলুস নেই।জেলার মনপুরা উপজেলার  ৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধ আঃ লতিফ কিশোর বয়স থেকেই মাছ ধরাকে পেশা হিসেবে নিয়েছিল। বিল থেকে মাছ ধরে হাটবাজারে বিক্রির মাধ্যমেই  লতিফ তার সংসার চালাতো। তিন মেয়ে-চার ছেলেকে সে মাছ ধরেই বড় করেছে।৮/১০ ধরে মাছ তেমন পাওয়া যায় না বলে জানায়। তার মতে এক যুগের মধ্যে কমপক্ষে ১০-১২ প্রকারের দেশীয় প্রজাতির মিঠা পানির মাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হওয়ার কারণ জানতে চাইলে ভোলা সরকারি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোঃ মোমেন মিঞা জানান, দেশীয় প্রজাতির মাছ যত্রতত্র ডিম ছেড়ে বংশ বিস্তারের মাধ্যমে বড় হয় কিন্তু গ্রামের গরিব ও নিম্নবিত্ত মানুষরা শুষ্ক মওসুমে সামান্য পানি থাকা ডোবাগুলো সেচে সকল মাছ নির্বিচারে ধরার ফলে মাছের বংশ বিস্তারে চরম বিঘœ ঘটে।

আবার ফসলী জমিতে প্রচুর কীটনাশক প্রয়োগ করায় পানি দূষিত হয়ে মাছের মৃত্যু রোগবালাই বৃদ্ধি এবং প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হচ্ছে, ফলে পরবর্তী বছরে পর্যায়ক্রমে দেশীয় মাছ আর পাওয়া যায় না। মাঝেমধ্যে দু’চারটি পাওয়া গেলেও দাম আকাশচুম্বি। এক্ষেত্রে বাজার দখল করেছে বিদেশী কার্প জাতীয় বিভিন্ন মাছ।

বিভিন্ন হাটবাজারে বিদেশী কার্প জাতীয় ছোট মাছ ১০০-১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে দেশীয় প্রজাতির যে কোনো মাছ হলেই সেটা ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যায়।
মূলত খাল-বিল নদী-নালা ডোবায় পানি সবসময় না থাকা এবং মৎস্য আইন প্রয়োগ না হওয়ায় দিন দিন ভোলার বিভিন্ন  উপজেলায় বিভিন্ন এলাকা থেকে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে।








সব প্রকৌশল বিভাগের রেট শিডিউল এক থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

সব প্রকৌশল বিভাগের রেট শিডিউল এক থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

বিগত সরকারের রেখে যাওয়া বিপুল ঋণ বর্তমান সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ : তথ্যমন্ত্রী

বিগত সরকারের রেখে যাওয়া বিপুল ঋণ বর্তমান সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ : তথ্যমন্ত্রী

মাসের দ্বিতীয়ার্ধে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর শঙ্কা

মাসের দ্বিতীয়ার্ধে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর শঙ্কা

একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন

চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো পদ্মা ব্যারাজ, ব্যয় ৩৩৪৭৪ কোটি টাকা

চূড়ান্ত অনুমোদন পেলো পদ্মা ব্যারাজ, ব্যয় ৩৩৪৭৪ কোটি টাকা

এলজিইডি’র প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বাড়ানোর নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

এলজিইডি’র প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বাড়ানোর নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

এপ্রিলে সড়কে ঝরেছে ৫১০ প্রাণ: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

এপ্রিলে সড়কে ঝরেছে ৫১০ প্রাণ: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আগামী ২ বছর সামাজিক স্থিতিশীলতা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী

অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে আগামী ২ বছর সামাজিক স্থিতিশীলতা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী

২৭তম বিসিএসের বঞ্চিত আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

২৭তম বিসিএসের বঞ্চিত আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

মার্চের তুলনায় এপ্রিলে অর্থনীতিতে গতি ফিরেছে

মার্চের তুলনায় এপ্রিলে অর্থনীতিতে গতি ফিরেছে

আরও...