অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ৬ই জুলাই ২০২৬ | ২২শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলায় দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ই আগস্ট ২০২০ রাত ০৯:৩০

remove_red_eye

৭২১



এম শরীফ আহমেদ : ভোলায় দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন ছোট-বড় মাছ বিলুপ্তির পথে। হারিয়ে যাওয়া ওইসব মাছের স্বাদ ভুলে যাচ্ছে মানুষরা। কয়েক বছর আগেও জেলার বিভিন্ন এলাকার ছোট-বড় নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবায় এবং ফসলী ক্ষেতে প্রচুর দেশীয় প্রজাতির মাছ পাওয়া যেতো।

একশ্রেণীর মানুষ মাছ ধরাকে তাদের পেশা হিসেবে নিয়েছিল। কিন্তু যত্রতত্র মাছ আর পাওয়া না যাওয়ায় সেই জেলেরা বর্তমানে বিভিন্ন রকম পেশা বেছে নিয়েছে। বিলুপ্ত হওয়ার পথে মাছ গুলোর মধ্যে রয়েছে, ঢেলা, পাবদা, দাড়কানা, কৈ, তিন কাঁটা আইড়, তেলটুপি, গাড্ডু টাকি, ভেদা, মাগুড়, বড় শৈল প্রভৃতি।

ইদানীং পুঁটি, জাতটাকি, চিংড়ি, তিতপুঁটি, টেংরা, জিয়ল শিং,  চান্দা, বাইম মাছগুলোও হাটবাজারে তেমন চোখে পড়ে না। মাঝেমধ্যে পাওয়া গেলেও দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।

এক সময় এ জেলার বিভিন্ন  উপজেলার গ্রামের অনেক পরিবারের প্রধান পেশা ছিল মাছ ধরা। কিন্তু এখন বিলে পানি না থাকায় আর মাছের সেই জৌলুস নেই।জেলার মনপুরা উপজেলার  ৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধ আঃ লতিফ কিশোর বয়স থেকেই মাছ ধরাকে পেশা হিসেবে নিয়েছিল। বিল থেকে মাছ ধরে হাটবাজারে বিক্রির মাধ্যমেই  লতিফ তার সংসার চালাতো। তিন মেয়ে-চার ছেলেকে সে মাছ ধরেই বড় করেছে।৮/১০ ধরে মাছ তেমন পাওয়া যায় না বলে জানায়। তার মতে এক যুগের মধ্যে কমপক্ষে ১০-১২ প্রকারের দেশীয় প্রজাতির মিঠা পানির মাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হওয়ার কারণ জানতে চাইলে ভোলা সরকারি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোঃ মোমেন মিঞা জানান, দেশীয় প্রজাতির মাছ যত্রতত্র ডিম ছেড়ে বংশ বিস্তারের মাধ্যমে বড় হয় কিন্তু গ্রামের গরিব ও নিম্নবিত্ত মানুষরা শুষ্ক মওসুমে সামান্য পানি থাকা ডোবাগুলো সেচে সকল মাছ নির্বিচারে ধরার ফলে মাছের বংশ বিস্তারে চরম বিঘœ ঘটে।

আবার ফসলী জমিতে প্রচুর কীটনাশক প্রয়োগ করায় পানি দূষিত হয়ে মাছের মৃত্যু রোগবালাই বৃদ্ধি এবং প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হচ্ছে, ফলে পরবর্তী বছরে পর্যায়ক্রমে দেশীয় মাছ আর পাওয়া যায় না। মাঝেমধ্যে দু’চারটি পাওয়া গেলেও দাম আকাশচুম্বি। এক্ষেত্রে বাজার দখল করেছে বিদেশী কার্প জাতীয় বিভিন্ন মাছ।

বিভিন্ন হাটবাজারে বিদেশী কার্প জাতীয় ছোট মাছ ১০০-১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে দেশীয় প্রজাতির যে কোনো মাছ হলেই সেটা ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যায়।
মূলত খাল-বিল নদী-নালা ডোবায় পানি সবসময় না থাকা এবং মৎস্য আইন প্রয়োগ না হওয়ায় দিন দিন ভোলার বিভিন্ন  উপজেলায় বিভিন্ন এলাকা থেকে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে।








ভোলায় নানা আয়োজনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

ভোলায় নানা আয়োজনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

ভোলা সরকারি মহিলা কলেজ  শিক্ষক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত নতুন নেতৃত্বে আবদুল হালিম

ভোলা সরকারি মহিলা কলেজ শিক্ষক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত নতুন নেতৃত্বে আবদুল হালিম

বোরহানউদ্দিনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নসিমন উল্টে চালক নিহত

বোরহানউদ্দিনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নসিমন উল্টে চালক নিহত

চরফ্যাশনে জমি নিয়ে বিরোধে ব্যবসায়ীর শতাধিক গাছ কর্তন

চরফ্যাশনে জমি নিয়ে বিরোধে ব্যবসায়ীর শতাধিক গাছ কর্তন

তজুমদ্দিনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

তজুমদ্দিনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

মনপুরায় অন্ধ প্রতিবন্ধী  স্বামী তিন সন্তান নিয়ে ঝড়ে বিধ্বস্ত ঘরে বসবাস সাহারা খাতুনের দরকার সবার আর্থিক সহযোগিতা

মনপুরায় অন্ধ প্রতিবন্ধী স্বামী তিন সন্তান নিয়ে ঝড়ে বিধ্বস্ত ঘরে বসবাস সাহারা খাতুনের দরকার সবার আর্থিক সহযোগিতা

লালমোহনে মোমবাতি জ্বালিয়ে চলছে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা

লালমোহনে মোমবাতি জ্বালিয়ে চলছে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা

খামেনির জানাজার দিনও গাজা-লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১০

খামেনির জানাজার দিনও গাজা-লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১০

‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান

‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান

ইউনিয়ন ও পৌরসভায় অক্টোবরে ভোটের আয়োজন চলছে: ইসি

ইউনিয়ন ও পৌরসভায় অক্টোবরে ভোটের আয়োজন চলছে: ইসি

আরও...