অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২৬শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৩ই বৈশাখ ১৪৩৩


ইন্টারনেট আসক্তিতে বাড়ছে তরুণদের মানসিক চাপ


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ই অক্টোবর ২০২৫ বিকাল ০৫:৩০

remove_red_eye

১৪৫

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার গের্দ্দ বালাপাড়া শান্তবাজার এলাকার জাহিদুল ইসলামের ছেলে আসিফ আলী (২০)। গোপনে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়লে হতাশায় গত ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কীটনাশক পান করেন। পরের দিন বিকেলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় রংপুরের বিভিন্ন এলাকার ১০ শিক্ষার্থী একদিনেই বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এরমধ্যে একজন মারা যায়। বাকি ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মেডিকেলের ফার্স্ট প্রফেশনাল পরীক্ষায় দ্বিতীয়বার অকৃতকার্য হওয়ায় ২০২১ সালের ৫ ডিসেম্বর আত্মহত্যা করেন আহমেদ বিন রাফি নামের এক তরুণ। তিনি রংপুরের একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।

শুধু আসিফ, রাফি কিংবা এসএসসির ওই ১০ শিক্ষার্থী নয়; এমন অসংখ্য তরুণ-তরুণী ক্রমাগত পড়াশোনার চাপ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব, পারিবারিক বিরোধ, ব্যক্তিজীবনের অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, প্রেমে ব্যর্থতাসহ নানা কারণে মানসিক চাপে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। ফলে বিষণ্নতায় ভুগতে থাকা মানসিক রোগীদের মধ্যে তরুণ-তরুণীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে তরুণ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি ব্যাপক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নানা কারণে অবসাদগ্রস্ত তরুণ-তরুণীরা আত্মহননের মতো কঠিন পথ বেছে নিচ্ছেন। তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশ ঘটাতে কেবল একা নয়; প্রয়োজন পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত প্রচেষ্টা।

২০২৩ সালে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এক হাজার ৭৭৩ জন শিক্ষার্থীর ওপর এক জরিপ পরিচালনা করে বেসরকারি সংস্থা ‘আঁচল ফাউন্ডেশন’। জরিপে উঠে আসে ভয়ঙ্কর তথ্য। এতে দেখা যায়, ৮৬ শতাংশ শিক্ষার্থীর মানসিক অবসাদের কারণ ‘ইন্টারনেট’।

সমীক্ষায় দেখা গেছে, পড়াশোনা বিষয়ক কাজে ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন ৩৮ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থী। আর ৬৭ দশমিক ৫ শতাংশ অবসর সময় কাটাতে, ৪২ দশমিক ৯ শতাংশ যোগাযোগের প্রয়োজনে, ২৪ দশমিক ৯ শতাংশ অনলাইন গেম খেলতে বা ভিডিও দেখতে, ১২ দশমিক ৬ শতাংশ অনলাইনে কেনাকাটা করতে এবং আট শতাংশ অর্থনৈতিক প্রয়োজনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। এরমধ্যে ১৭ দশমিক ৮ শতাংশ ইন্টারনেটে পর্নো দেখা, সাইবার ক্রাইম, বাজি ধরা, বুলিং করা প্রভৃতি অপ্রীতিকর কাজের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে পড়েছেন। ২৩ শতাংশ ধীরে ধীরে অন্তর্মুখী হয়ে পড়েছেন, ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ হতাশাসহ বিভিন্ন ধরনের মানসিক চাপ অনুভব করেছেন এবং ২০ দশমিক ৩ শতাংশ সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন।

ইন্টারনেট আসক্তি নিয়ে জাতীয় মানসিক ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ২০২১ সালের জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৭৬.১ শতাংশ ভিডিও দেখেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যস্ত থাকেন ৫৫.৯ শতাংশ, গেমিংয়ে সময় ব্যয় করেন ৫৪.৫ শতাংশ। ব্যবহারকারীদের মধ্যে স্মার্টফোন ব্যবহার করেন ৭৯.৪ শতাংশ, ল্যাপটপ ৩.৯ শতাংশ, মোবাইল ৪.৫ শতাংশ, ডেস্কটপ ২.৮ শতাংশ এবং অন্যান্য মাধ্যম ৪৮.৭ শতাংশ। ব্যবহারকারীদের মধ্যে ১০ থেকে ১৪ বছরের শিশুর সংখ্যা ১০.৮ শতাংশ, ১৫ থেকে ২৫ বছরের তরুণদের সংখ্য ২৬ শতাংশ।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) রংপুর মহানগর সভাপতি অধ্যক্ষ ফখরুল আনাম বেঞ্জু জাগো নিউজকে বলেন, ‘তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকির দায় সবার। তাদের জন্য যে বিকল্প বিনোদন, খেলার মাঠ, সুস্থ সংস্কৃতিচর্চা দরকার, তা দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে।আগের মতো পারিবারিক বন্ধন থাকছে না। নানা কারণে আত্মকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে তরুণরা। একপর্যায়ে তারা হতাশ হয়ে অসৎ কর্মকাণ্ডেও জড়িয়ে পড়ছে। তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশ মানসিক সহায়তা না পেয়ে হতাশায় ভুগছে। তাদের জন্য শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে নয়; পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকেও এগিয়ে আসতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সামাজিক ও পারিবারিকভাবে সচেতনতা বাড়াতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। তরুণসমাজকে এমন পরিস্থিতি থেকে সুরক্ষায় জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের পরিকল্পনা প্রণয়ন ও কর্মকৌশল তৈরি করতে হবে।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গত বছরের এক গবেষণা থেকে জানা যায়, ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী প্রতি সাতজনের একজন (ছেলে-মেয়ে) কোনো না কোনো মানসিক রোগে ভুগছে। ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও আচরণগত সমস্যা সবচেয়ে সাধারণ মানসিক রোগ এবং আত্মহত্যা হলো ১৫-২৯ বছর বয়সীদের মৃত্যুর তৃতীয় প্রধান কারণ।

মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক সমস্যা নিয়ে গবেষণা করা ল্যানসেট সাইকিয়াট্রি কমিশনের মতে, প্রায় ৭৫ শতাংশ মানসিক সমস্যার সূচনা ২৫ বছর বয়সের আগেই হয় এবং এর সর্বোচ্চ মাত্রা মাত্র ১৫ বছর বয়সে শুরু হয়। শারীরিকভাবে তরুণরা আগের চেয়ে সুস্থ হলেও মানসিকভাবে তারা বেশি বিপর্যস্ত এবং এই সংখ্যা বাড়ছে।

রংপুর বিভাগীয় লেখক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমদের মতে, বর্তমান ডিজিটাল যুগে তরুণরা একে অপরের সঙ্গে তুলনা করার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হচ্ছে। নিজেকে সেরা হিসেবে জাহির করার চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। যার পেছনে অন্যতম চালিকাশক্তি হলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। সহপাঠী কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে আসা এই সেরা হওয়ার চাপ তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। এই সমস্যার গভীরতা অনুধাবন করে সমাজের সব স্তরে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি, যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম স্বাভাবিক, আত্মবিশ্বাসী ও মানসিকভাবে সুস্থ জীবনযাপন করতে পারে।’

বেশিরভাগ পরিবারেই অভিভাবকদের সঙ্গে সন্তানদের দূরত্ব বাড়ছে বলে জানান এই লেখক। তিনি বলেন, ‘পারিবারিক বা সামাজিক প্রয়োজনে অভিভাবকরা এতটাই ব্যস্ত থাকেন যে, সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় ও দিকনির্দেশনা দিতে পারেন না। এতে সন্তানরা একাকিত্ব অনুভব করতে থাকেন। একটা সময় সন্তানরা নিজেদের কর্তৃত্বের বাইরে চলে যায়, তখন করার কিছুই থাকে না। সন্তানরা তখন নিজেদের মতো জগৎ খুঁজে নেয় এবং অনেকেই বিপথগামী হয়ে ওঠে। তারা নিজেদের রুমে আবদ্ধ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মনোনিবেশ করে এবং রাতে না ঘুমিয়ে দিনে ঘুমায়। জীবনে কোনো শৃঙ্খলা নেই তাদের। জীবনযাত্রায় অস্বাস্থ্যকর এক পরিবেশ তৈরি করে ফেলে তরুণরা। অনেকের অভিভাবক নিজেরাও নানা অসংলগ্ন কার্যক্রমে জড়িত থাকেন। ফলে সন্তানরাও সেটা দেখে সেদিকে ধাবিত হয়।’

এই চাপ মোকাবিলায় কিছু বিদ্যালয় এরইমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে জাকির আহমদ বলেন, “লন্ডনের লেডি এলিনর হোলস নামের একটি বালিকা বিদ্যালয় তাদের ছাত্রীদের শেখাচ্ছে যে, ‘ভালো হওয়াটাই ভালো, নিখুঁত হতে হবে না’। এভাবে শিক্ষার্থীদেরকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ হওয়ার নয়, বরং স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে চলার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।”

একটি সরকারি সংস্থার সবশেষ পর্যবেক্ষণের তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে সবচেয়ে বেশি অনলাইন ক্যাসিনো কার্যক্রম শনাক্ত হয়েছে রংপুর বিভাগে। এরপরেই রাজশাহীর অবস্থান।

এই প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ—এই তিন মাসে রংপুরে ১১৩টি অবৈধ অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্ম শনাক্ত হয়েছে। রাজশাহীতে এই সংখ্যা ৯৭টি। ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে সংখ্যা ৭৫টি হলেও উত্তরাঞ্চলের এই দুই বিভাগে সবচেয়ে বেশি।

তরুণ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বলে জানান রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মানসিক রোগ বিভাগের প্রধান ডা. মো. আব্দুল মতিন।

তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তির জন্য বেশ কিছু কারণ দায়ী। তবে বর্তমানে অন্যতম কারণ হচ্ছে ক্রমবর্ধমান পড়াশোনার চাপ ও ইন্টারনেট আসক্তি। এছাড়া বেকারত্ব, রাত জাগা, পারিবারিক অশান্তি, অস্বাস্থ্যকর জীবন, একান্নবর্তী পরিবার ভেঙে যাওয়া, মা-বাবার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়া, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, খেলাধুলা, সংস্কৃতিচর্চার অভাব, জুয়া ও মাদকাসক্তিসহ বিভিন্ন অসংগতির কারণেও তরুণরা আজ বিপথগামী।

মাদকাসক্তির মতোই মোবাইল আসক্তি উল্লেখ করে ডা. মতিন বলেন, ‘আগে একান্নবর্তী পরিবার ছিল, পারিবারিক বন্ধন ছিল। এক পরিবারে একাধিক সন্তান বেড়ে উঠতো। মা-বাবা সন্তানদের বিভিন্ন পেশায় বা কাজে সম্পৃক্ত করতেন। এতে তাদের স্বপ্ন অপূর্ণ থাকতো না। এখন পরিবারে সন্তানদের সংখ্যা কমে এসেছে। একজন বা দুজন সন্তানকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে মা-বাবার স্বপ্ন। এতে সন্তানদের ওপর চাপ বাড়ছে। যে স্বপ্ন নিজের জীবনে পূরণ হয়নি আমরা অভিভাবকরা এখন সেই স্বপ্ন সন্তানদের মাঝে পূরণ করতে মরিয়া হয়ে উঠছি।’

শুধু পড়াশোনা নয়, ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি, অফিস সবক্ষেত্রেই চলছে প্রতিযোগিতা। সবক্ষেত্রে শুধু ভালো হলে চলবে না, হতে হবে সেরা। এমন প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে অনেকেই হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। এতে মানসিক চাপ বাড়ছে বলে জানান রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই চিকিৎসক।

ডা. মতিন বলেন, ‘অনেক অভিভাবক আসেন যে, তাদের ছেলেমেয়েরা আগে ভালো ছিল, এখন কিছু বললেই রেগে যায়। সারারাত জেগে থাকে, দিনের বেলা ঘুমায়। একা একা দরজা বন্ধ করে রুমের ভেতর থাকে। এজন্য মা-বাবাকে সচেতন হতে হবে। সন্তানদের ওপর জোর করে কিছু চাপিয়ে না দিয়ে তাদের সঙ্গে বন্ধুর মতো আচরণ করতে হবে। নিজের ক্যারিয়ারের পাশাপাশি সন্তানদের সময় দিতে হবে।’

এসব সমস্যা থেকে উত্তরণের বিষয়ে এই চিকিৎসক বলেন, ‘সন্তানদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দিনের যে কোনো একটা নির্ধারিত সময়ের জন্য মোবাইলফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণ করা যেতে পারে। সবক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার বদলে আত্ম-উন্নয়ন ও গ্রহণযোগ্যতার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, তাহলে তরুণদের মধ্যে চাপ কমবে। সর্বোপরি, তরুণ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের ভূমিকা থাকবে হবে।’





দৌলতখানে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

দৌলতখানে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ভোলায় বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ও তেল জব্দ

ভোলায় বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ও তেল জব্দ

ভোলায় ১৩ হাজার জেলের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

ভোলায় ১৩ হাজার জেলের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও সাংবাদিক সুমনের পিতার ইন্তেকাল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শোক প্রকাশ

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও সাংবাদিক সুমনের পিতার ইন্তেকাল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শোক প্রকাশ

ভোলায় সাংবাদিক সুমনের পিতা জাহাঙ্গীর আলমের ইন্তেকাল দৈনিক বাংলার কণ্ঠ পরিবারের শোক

ভোলায় সাংবাদিক সুমনের পিতা জাহাঙ্গীর আলমের ইন্তেকাল দৈনিক বাংলার কণ্ঠ পরিবারের শোক

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার পিতার ইন্তেকাল, কেন্দ্রীয় কমিটির শোক

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার পিতার ইন্তেকাল, কেন্দ্রীয় কমিটির শোক

ভোলার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও সাংবাদিক সুমনের পিতা জাহাঙ্গীর আলম মিয়ার ইন্তেকাল ।। দাফন সম্পন্ন, সর্বস্তরের শোক

ভোলার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ও সাংবাদিক সুমনের পিতা জাহাঙ্গীর আলম মিয়ার ইন্তেকাল ।। দাফন সম্পন্ন, সর্বস্তরের শোক

ভোলায় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন

ভোলায় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন

ভোলায় যৌথ অভিযানে শুল্ক-কর ফাঁকি দেয়া অবৈধ ৪ লাখ ৩৫ হাজার শলাকা নকল বিড়ি জব্দ

ভোলায় যৌথ অভিযানে শুল্ক-কর ফাঁকি দেয়া অবৈধ ৪ লাখ ৩৫ হাজার শলাকা নকল বিড়ি জব্দ

মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচালকারী যাত্রীসহ পণ্য বোঝাই ট্রলার ডুবি

মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচালকারী যাত্রীসহ পণ্য বোঝাই ট্রলার ডুবি

আরও...