অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০২০ | ১৫ই আশ্বিন ১৪২৭


চরফ্যাশনে এক মাসেও মিরাজ হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার হয়নি


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৮ই আগস্ট ২০২০ রাত ১১:১৬

remove_red_eye

১০০





বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার চরফ্যাশনের নীলকমল চর যুমনা এলাকায় ফুটবল খেলার কথা বলে ডেকে নিয়ে হামলা চালিয়ে  মিরাজ ( ২৪) কে হত্যার  এক মাসে আসামীরা কেউ গ্রেফতার হয় নি।   উল্টো মিরাজের ছোট ভাইকে তিন দিন আগে ফের পিটিয়ে হাতপা ভেঙে দেয় সন্ত্রাসীরা। আসামীরা প্রভাবশালী হওয়ায় পুলিশ ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেস্টা করে এবং এক আসামীকে আটক করে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
শনিবার ভোলা প্রেসক্লাবে  সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরে সন্তান হত্যার বিচার দাবি করেন মা মোসাম্মত নুর নাহার বেগম। লিখিত ব্যক্তব্যে নুর নাহার  জানান, আসামীরা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন লিখন এর ভাই ও আত্মীয় স্বজন হওয়ায় দুলারহাট থানার ওসি তদন্তের নামে  ঘটনা ও মামলা ধামাচাপা দেয়ার চেস্টা করেন। এমনকি আসামী টুটুল (৪০)কে গ্রেফতার করে ছেড়ে দেয়। গত ২৭ মে বিকালে আসামী মোঃ ইমরান ( ২২), খায়রুজ্জামান টুটুল (৪০), শাহরিয়ার ইমরান ( ২২), সাহাবুদ্দিনসহ ৯ /১০ জন মিরাজ কে ফুটবল খেলার কথা বলে ডেকে নিয়ে যায়। খেলার এক পর্যায়ে আসামীরা সংঘবদ্ধ হয়ে মিরাজকে পিটিয়ে জখম করে। এমন কি মাটিতে ফেলে তাকে লাথি মারতে থাকে। এক পর্যায়ে মৃতভেবে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। অবস্থার অবনতিতে চরফ্যাশন থেকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল , ওই হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। ৬ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায় মিরাজ। থানায় আসামীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা  হত্যা মামলা প্রত্যাহার করার জন্য চাপ দেন প্রভাবশালী লিখন চেয়ারম্যান। মামলা না তোলায় গত বুধবার ছোট ছেলে ( নিহত মিরাজের ভোট ভাই) নাহিদ বাজারে দোকানে চা খেতে গেলে স্থানীয় ডাক্তার সাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে নাহিদকে পিটিয়ে হাত পা ভেঙে দেয়া হয়। নাহিদ বর্তমানে ভোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছে। আসামীদের সঙ্গে তাদের জমি জমার বিরোধ থাকায় তারা একের পর এক হামলা চালাচ্ছে বলেও জানান নুরনাহার  বেগম। অপরদিকে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন লিখন জানান, কেউ কাউকে পিটিয়ে মারে নি। ওই মহিলার ছেলেরা ফুটবল খেলার আয়োজন করে। খেলার মাঠে বলে হেড দিতে গিয়ে আহত হয় মিরাজ।
দুলারহাট থানার ওসি মোঃ ইকবাল হোসেন জানান,ঘটনাটি খেলাকে ঘিরে। পুলিশ ধামাচাপা দেয়ার চেস্টা করছে না বলেও জানান। এছাড়া তারা মামলার তদন্ত করছেন। তবে কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি। তা ছাড়া নিহত মিরাজের ছোট ভাইর প্রতিপক্ষের একজনের মাথা ফাটানো হয়। সে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।