অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ১লা অক্টোবর ২০২০ | ১৬ই আশ্বিন ১৪২৭


দৌলতখানে পশুর হাটে স্বাস্থ্য বিধির চরম লংঘন


দৌলতখান প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩০শে জুলাই ২০২০ সকাল ১১:৩৯

remove_red_eye

৪৭

দৌলতখান প্রতিনিধি: ভোলার দৌলতখানের পশুর হাটগুলোতে স্বাস্থ্য বিধি চরমভাবে লংঘন করে চলেছে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই। আর মাত্র এক দিন পর কোরবানির ঈদ। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে হাটগুলোতে ততই বাড়ছে পশুর সংখ্যা ও মানুষের ভীড়। পৌরসভাসহ উপজেলার নয়টি ইউনিয়নে মোট আটটি হাট রয়েছে। হাটগুলো হচ্ছে দৌলতখান বাজার, বাংলাবাজার, নুরমিয়ারহাট,দলিলউদ্দিন খায়েরহাট, মৃধার হাট চরপাতা কাজিরহাট, নঈমুদ্দিন হাট ও মেদুয়ার মুন্সির হাট। এসব হাটে কোরবানির পশু কিনতে আসা মানুষের উপচে পড়া ভীড়  লক্ষ্য করা গেলেও সামাজিক দুরত্ব ও মাস্ক পড়ার মতো স্বাস্থ্যবিধির কোন বালাই নেই কারো মধ্যেই। প্রশাসন ও আইন শৃংখলা রক্ষা বাহিণীর পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য বিধি মানার জন্য প্রতিনিয়ত প্রচার-প্রচারণা চালানো হলেও কেউ কোন গুরুত্ব দিচ্ছেনা।


এদিকে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয় থেকে নিরাপদ মাংস উৎপাদন, কোরবানির হাটে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশবান্ধব কোরবানির পশুর হাটের কার্যক্রম যথাযথ ভাবে মনিটরিং করার জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি মেডিকেল টিম কাজ করছে। মঙ্গল ও বুধবার বিকালে সরেজমিন দৌলতখান পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন পশুরহাটে  গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতা-বিক্রেতা কারও মুখে মাস্ক নেই। গা ঘেষে সবাই অবাধে চলাফেরা করছে। তাদের মধ্যে সামান্যতম সচেতনতাবোধও কাছ করছেনা। মাস্ক বিহীন হাটে আসা একাধিক ক্রেতা নানা অজুহাত পেশ করে বলেন, তাড়াহুড়ো করে আসতে গিয়ে মাস্ক বাড়িতে রেখে এসেছি। পৌরসভার একমাত্র হাট দৌলতখান বাজার ইজারাদার মো. আলাউদ্দিন ভূইয়া জানান, স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রশাসনের পাশাপশি আমরাও প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে এবার হাটে গরু বেশী থাকলেও বেচা-বিক্রি কম হচ্ছে। এতে করে হাট যে টাকায় ইজারা নিয়েছি, তাতে লোকসান হবার আশংকা রয়েছে। দৌলতখান উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. পার্থ সারথী জানান, স্বাস্থ্যবিধি কার্যকরে দৌলতখানে তিন সদস্য বিশিষ্ট মেডিকেল টিম কাজ করছে। তারপরও মানুষের সচেতনতার অভাবে হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর করা কঠিন হয়ে পড়েছে।