অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ২রা অক্টোবর ২০২০ | ১৬ই আশ্বিন ১৪২৭


মনপুরায় জলদস্যু সন্দেহে দুইজনকে আটক করে পুলিশে দিল জনতা


মেহেদি হাসান নাহিদ ,মনপুরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৪ঠা জুলাই ২০২০ রাত ১০:০০

remove_red_eye

১৯৪





মনপুরা  প্রতিনিধি : ভোলার মনপুরার বিচ্ছিন্ন কলাতলীর চরে জলদস্যু সন্দেহে দুইজনকে উত্তম-মধ্যম দিয়ে ফাঁড়ির পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে স্থানীয় জনতা। এই সময় স্থানীয় জনতার ধাওয়া খেয়ে সঙ্গীয় অপর দুইজন ট্রলার নিয়ে পালিয়ে যায়।

শনিবার দুপুর ২ টায় উপজেলার বিচ্ছিন্ন কলাতলীর চরের ঘোলের খালের দক্ষিণ পাশে আশ্রয়ন প্রকল্পে জামালের ঘর থেকে জলদস্যু সন্দেহে ধরে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা। পরে বিকেল ৪ টায় ফাঁড়ির পুলিশ জনতার হাতে ধৃত দুইজনকে ট্রলারযোগে মনপুরা থানায় হস্তান্তর করে।

স্থানীয় জনতা হাতে ধৃত জলদস্যু সন্দেহরা হলেন, নুরউদ্দিন ওরফে রুবেল (৩০) ও রফিকূল ইসলাম (৩০)। এদের বাড়ি ভোলার দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ও চরপাতা গ্রামে।

ঘটনা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে ট্রলার করে ধৃত রুবেল, রফিকূল ইসলাম, জামাল ও আবদুল মতিন কলাতলীর চরে ঘোলের খাল সংলগ্ন আশ্রয়ন প্রকল্পে রুবেলের শ্বশুর বাড়ি জামাল ব্যাপারির ঘরে অবস্থান করে। খবর পেয়ে শনিবার স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে ধরতে গেলে জামাল ও আবদুল মতিন ট্রলারে করে পালিয়ে যায়। এই সময় নুরুউদ্দিন ওরফে রুবেল ও রফিকূল ইসলামকে ধরে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা। এই সংঘবদ্ধ দলটি মেঘনায় জলদস্যুর সাথে জড়িত বলে কলাতলীর চরে একাধিক বাসিন্দারা জানান।

কলাতলীর চরে পুলিশ ফাঁড়র ইনচার্জ এস.আই শাহাদাত হোসেন মুঠোফোনে জানান, জনতার হাতে ধৃত দুইজনকে ফাঁড়িতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা স্বীকার করেন নদীতে কারেন্ট জাল চুরি করে। তবে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিকেল ৪ টায় ট্রলার যোগে মনপুরা থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।

এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, থানায় আসার পর জিজ্ঞাসাবাদের পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।