অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৮ই আশ্বিন ১৪২৭


ভোলাসহ উপকূলে কমিউনিটি ট্যুরিজম স্পট হচ্ছে


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭শে জুন ২০২০ রাত ০৯:৫২

remove_red_eye

৪৩৮



বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলাসহ উপকূলে কমিউনিটি বেইজ ট্যুারিজম স্পট করার ঘোষনা দিয়েছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড । আগামী বছরের জানুয়ারি মাস থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। এ জন্য  মাস্টার প্লান তৈরীর কাজ চলছে। উন্নয়ন পরিকল্পনায় পর্যটন বিষয়ক  অনল্ইান ভিত্তিক অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় এমন তথ্য জানান ট্যুরিজম বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক জাবেদ আহমেদ। ভোলার বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের সঙ্গে পর্যটন বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তারা তাদের পরিকল্পনার বিষয় শেয়ার করেন। শুক্রবার ভোলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান,  ভোলাকে কুইন আইল্যান্ড অফ বাংলাদেশ বলা হয়। এ লাকার ২১টি স্পট নিয়ে কমিইনিটি ট্যুরিজম গড়ে ওঠতে পারে।
অপরদিকে বুধবার বিকালে পর্যটন বোর্ডেও নির্বাহী পরিচালক জানান, দ্বীপজেলা ভোলাকে ঘিরে ট্যুরিজমের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারনে পুরো জেলার   কোথায় কোথায় কি কি ব্যবস্থা নেয়া যায়, তার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ নিয়ে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে বোর্ড। ভোলায় বিভিন্ন পেশার বক্তব্য জেলে জেলা প্রশাসক জানান, বাংলাদেশের দ্বীপের রানী হচ্ছে ভোলা । এখানে ২১ টি ছোট দ্বীপ চর রয়েছে। এক একটিতে ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার মানুষ বাস করে। এখানে সুর্য উদয় ও অস্ত যাওয়ার দৃশ্য, ১৭টি চরে অতিথি পাখির বিচরণ। পৃথিবীতে বিলুপ্ত প্রায় এমন ১০ প্রজাতির পাখিও ভোলায় রয়েছে। দেশের ৪০ ভাগ ইলিশ উৎপাদন হয় এখানে। বিভিন্ন চরে রয়েছে এক লাখ ৩২ হাজার মহিষের বাতান ।
ভোলার উপশহর বাংলাবাজারে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে  স্থাপিত স্বাধীনতা জাদুঘর বাংলাবার কৃষ্টি সংস্তৃতির শতবছরের ধারাবাহিকতার ইতিহাস বহন করছে। এখানে রয়েছে তুলাতুলি শাহবাজপুর পর্যটন কেন্দ্র।  রয়েছে কোড়ালিয়া তোফায়েল উদ্যান, বোরহানউদ্দিনের রিভার ভিউ, লালমোহনের শেখরাসেল পার্ক, চরফ্যাশনের জ্যাকব টাওয়ার, ফ্যাশন স্কয়ার,  মনপুরার চিত্রাহরণ, কুকরীর নয়নাভিরাম প্রকৃতি।  এসব মাথায় রেখে জেলা শহরকে পর্যটন নগরি হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। স্বাধীনতার আগে ও পরে  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  ৬ বার ভোলায় আসেন। তিনি ভোলায় চিন্তা নিবাস করার পরিকল্পনা নিয়ে ছিলেন। দেশের ও দেশের বাইরের পর্যটক ও বিভিন্ন পেশার মানুষ প্রশান্তির জন্য ভোলায় আসবেন। এখানে শুভ চিন্তার বিকাশ ঘটবে। এমন পরিকল্পনা সামনে রেখেই জেলার ৭ উপজেলাকে ট্যুরিজমের আওতায় আনা হচ্ছে। বিভিন্ন চরের সঙ্গে যোগযোগের জন্য ওয়াটার কার, সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন করারও প্রস্তাবও দেয়া হয় সভায়। ওই ওয়ার্কসপে  ভোলা জেলার জেলা প্রশাসক মোহামা¥দ সামুদ আলম ছিদ্দিক সভাপতিত্বে করেন। বিভিন্ন ইস্যুতে  আরো বক্তব্য রাখেন, ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক আবু তাহের মোঃ জাবেদ, ভোলা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোশারফ হোসেন, মনপুরা উপজেলা চেয়ারম্যান সেলিনা আক্তার চৌধুরী, চরফ্যাশন পৌর মেয়র বাদুল কৃষ্ণ দেবনাথ, নাগরিক কমিটির সভাপতি মোঃ আবু তাহের,  ভোলা প্রেসক্লাব সম্পাদক অমিতাভ অপু, বিভাগীয় বনকর্মকর্তা  তৌফিকুল ইসলাম, এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, পর্যটন এলকা সাগরপাড়ের  কুকরীমুকরী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ হাসেম মহাজন, তজুমদ্দিন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন পোদদার, বোরহানউদ্দিন ভাইস চেয়ারম্যান  মোঃ রাসেল মিয়া, সাংবাদিক আদিল হোসেন তপুসহহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তরা ।





আরও...