অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২৯শে এপ্রিল ২০২৬ | ১৬ই বৈশাখ ১৪৩৩


চরফ্যাশনে বই বিতরণ নিয়ে দুই পক্ষের শিক্ষকদের হাতাহাতি ৭দিনেও সমাঝোতা হয়নি


চরফ্যাসন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩রা মার্চ ২০২৫ বিকাল ০৩:২৩

remove_red_eye

১৭২

চরফ্যাশন প্রতিনিধি: চরফ্যাশনে ইবতেদায়ী মাদ্রাসার বই বিতরণকে কেন্দ্র করে দুই  পক্ষের শিক্ষকদের মধ্যে  হাতাহাতি এবং মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার ৭দিনে  অতিবাহিত হলেও বিষয়টির  সমঝোতা হয়নি। ফলে এ নিয়ে দুই  পক্ষের মধ্যে ক্ষোভ  বিরাজ করছে।  
জানা গেছে ২৫ ফেব্রুয়ারি  চরফ্যাশন উপজেলার বিআরডিবি মোড়ে ইবতেদায়ী মাদ্রাসার বই বিতরণকালে দুই পক্ষের শিক্ষকের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।
চরফকিরা এছহাকিয়া স্বতন্ত্র  ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক কামরুল ইসলাম বলেন,মাদ্রাসার বই বিতরণকালে চর আইচা সাফিয়া উলুম ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক  মো. নোমান বই বিতরণে একশ টাকা করে চাঁদা আদায় করে। আমি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আমাকে বই না দেয়ার হুমকি দেয় নোমান। এসময় আমার মোবাইলে তাদের চাঁদা উত্তলনের ভিডিও ধারণ করায় শিক্ষক নোমান ও শাহাবুদ্দিন আমাকে এলোপাথাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে  জখম করে। এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় এলাকাবাসী আবিদ ও মামুন জানান,বই বিতরণকে কেন্দ্র করে তিন শিক্ষকের হাতাহাতির ঘটনা দেখে আমরা ছাড়িয়ে দিতে গেলে শাহাবুদ্দিন নিজেকে জুলাই অভ্যুত্থান আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে আমাদেরকেও মারধর করে। একই সঙ্গে হাফেজ নোমান আমাদের মারধর  করতে গিয়ে দুলারহাট সড়ক থেকে আসা একটি রিকশার সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে আহত হয়ে আমাদের দেখে নেয়ার হুমকি দেন।
তবে মারধরের কথা অস্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে হাফেজ নোমান ও শাহাবুদ্দিন বলেন,আবিদ ও মামুন নামের দুই ব্যক্তি আমাদের লাঠিসোঁটা ও হকিস্টিক দিয়ে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেছেন। আমরা শিক্ষা অফিসের খলিল স্যারের কাছে বিষয়টি জানিয়েছি, কিন্তু তিনি বিষয়টি সমঝোতা করে দেননি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা  অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ খলিলুর রহমান জানান শিক্ষকদের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটেছে শুনেছি এ বিষয়ে ফয়সালার জন্য কেউ আমার কাছে আসেনি।