অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ৬ই জুন ২০২০ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭


মনপুরায় নির্যাতিত মা-ছেলে অভিযোগ দিতে গিয়ে পুলিশ ক্যাম্পে মারধরের শিকার


মনপুরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৪শে মে ২০২০ সকাল ০৭:১৫

remove_red_eye

৮১

মনপুরা প্রতিনিধি:: ভোলার বিচ্ছিন্ন দূর্গম দ্বীপ উপজেলা মনপুরার বিচ্ছিন্ন কলাতলীর চরে আবাসনের পাশে গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে আবাসনে থাকা একটি পরিবারকে লাঠি-সোঠা দিয়ে বেদড়ক মারধর করে কামাল সহ গ্রুপের অন্যান্য সদস্যরা। এতে মা ও ছেলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ঘটনার পর পরই ওই কামালের বিরুদ্ধে ভূক্ত পরিবারের পক্ষে বড় ছেলে শাহীন অভিযোগ দিতে কলাতলীর চরে ক্যাম্প ইনচার্জ এস. আই শাহাদতের কাছে গেলে তিনি ও মারধর করেন বলে অভিযোগ পুলিশের মারধরের শিকার শাহীনের।

শনিবার দুপুর ১২ টায় আইসি সহ কামাল ও গ্রুপের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে বরিশাল বিভাগীয় ডিআইজি, ভোলা জেলা পুলিশ সুপার ও মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ সাখাওয়াত হোসেনর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভূক্ত পরিবারের পক্ষে পরিবারের কর্তা মিলন সিপাই।

এদিকে, গুরুত্বর আহত মা নিরু বেগম (৪০) ও ছেলে নাহিম (২০) স্থানীয়ভাবে চিকিৎসায় সুস্থ না হওয়ায় গত শুক্রবার বিকালে বিচ্ছিন্ন কলাতলীর চর থেকে ট্রলারযোগে মনপুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পুলিশের মারধরের শিকার শাহীন জানান, আবাসনে ঘরের পাশে গাছ রোপন করি। পরে ঝড়ের দিন বিকালে কামাল, মনজু, নোমানসহ এরা গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে আমার ভাই ও মাকে বেদম মারধর করে। মারধরের অভিযোগ ক্যাম্পে দিতে গেলে ওই কামাল ক্যাম্পে যায়। আমাদের কথা না শুনে ক্যাম্পের ইনচার্জ আইসি এস.আই শাহাদাত হোসেন ওই কামালের কথায় আমাকে লাথি, থাপ্পর দিয়ে ক্যাম্প থেকে বের করে দেয়। তাই আজ (শনিবার) মনপুরা থানায় এসে ক্যাম্পের ইনচার্জ এস.আই শাহাদতের বিরুদ্ধে ওসি, পুলিশ সুপার ও ডিআইজি এর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

হাসপাতালে ভর্তি নিরু বেগম জানান, সিগন্যালের দিন কামাল, মনজু সহ ওরা আমার পোলা নাহিমকে মারতে থাকে। আমি গেলে আমাকে মারধর করে। এতে আমি ও আমার ছেলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। একইভাবে বলেন হাসপাতালে ভর্তি থাকা নাহিম।

এই ব্যাপারে কলাতলীর চর পুলিশ ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা এস.আই শাহাদতের মুঠো ফোনে ( ০১৭১৬৫৮৬৮৯৩) একাধিকবার ফোন করলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, কলাতলীর চরে কামাল, মনজু মিলে একটি পরিবারকে মারধরের ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। এছাড়াও ক্যাম্পের ইনচার্জ মারধর করার অভিযোগ পেয়েছি। সব ব্যাপারেই উর্ধ্বতন কমাকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে। আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।




আজকের সাহরীর ও ইফতারে সময় সূচী ভোলা জেলার জন্য