অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১লা মে ২০২৬ | ১৮ই বৈশাখ ১৪৩৩


চরফ্যাশনে প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ


চরফ্যাসন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৭শে আগস্ট ২০২৪ রাত ০৮:১৬

remove_red_eye

৩১৩

শশীভূষণ প্রতিনিধি : ভোলার চরফ্যাশনে মালদ্বীপ প্রবাসী পরিবারের ৭২ শতাংশ জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার প্রভাবশালী ছাত্রলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম গংদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও নদী ভাঙা অসহায় কৃষকের কাছে জমি বিক্রি করে তা সঠিক ভাবে বুঝ না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রবাসী ফারুক গংদের ওয়ারিশি সম্পত্তি থেকে গত কয়েক বছর আগে একই এলাকার জব্বার শাহার কাছে ২একর ১২শতাংশ ও ছেলে ওহিদুলের কাছে ১ একর ৯ শতাংশ জমি বিক্রি করলেও তারা শফিকুল ইসলাম এর প্রভাব খাটিয়ে আরও ৭২ শতাংশ জমি জবরদখল করেন।
ভুক্তভোগী মালদ্বীপ প্রবাসী মো.ওমর ফারুক অভিযোগ করে জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থাকার শুবাদে একই এলাকার প্রতিবেশী শফিকুল ইসলাম ছাত্রলীগের প্রভাব খাটিয়ে নামজারিতে ভুয়া দাগ দেখিয়ে ৭২শতাংশ জমি জবরদখল করেন। এবিষয়ে একাধিক শালিস সমোঝোতার চেষ্টা করেও কোন প্রতিকার মিলেনি। পরে উপজেলা ভুমি অফিসে গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে অজানা কারণে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তিনি আরও জানান, শফিকুল ইসলাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের প্রভাবের কাছে আমরা অসহায়। এছাড়াও একাধিক ভুক্তভোগী জানান, কৃষক শ্রমিকের কাছে জমি বিক্রি করে সঠিক ভাবে বুঝ দেননি তিনি।
স্থানীয়রা জানান, শফিকুল ইসলাম ঢাকায় থেকেই তার ছোটভাই ওহিদুলকে দিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই ৭২ শতাংশ জমিসহ একাধিক মানুষের জমি দখলে রাখেন। এসব জমি গুলো উদ্ধার করতে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।
এবিষয়ে অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, আমরা তাদের কাছ থেকে যতটুকু জমি ক্রয় করেছি ততটুকুই আমাদের দখলে আছে।
চরফ্যাশন উপজেলা ভ‚মি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালেক মূহিদ জানান, নামজারিতে দলীলে উল্লেখিত দাগ নাম্বার ব্যতিত অন্য কোন দাগ নাম্বার নামজারিতে বসানোর সুযোগ নেই।