অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২রা মে ২০২৬ | ১৮ই বৈশাখ ১৪৩৩


চরফ্যাশনে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার


চরফ্যাসন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৭শে জুলাই ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:০৮

remove_red_eye

২৬৩

           পরিবারের দাবী হত্যা 
 
ইসরাফিল নাঈম শশীভূষণ : ভোলার চরফ্যাশনে শান্তা (২০) নামের এক গৃহবধূর গলায় ফাঁস দেয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাতে উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গৃহবধূর স্বামীর বসত ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। শশীভূষণ থানা পুলিশ নিহত নববধূর লাশ উদ্ধার করে শুক্রবার (২৬ জুলাই) সকালে ময়না তদন্তের জন্য ভোলা মর্গে পাঠিয়েছেন।
 
নিহত গৃহবধূ ওই গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে আল-আমিনের স্ত্রী ও ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সিদ্দিক বাগার মেয়ে।  
 
নিহতের মা রানু বেগম জানান, গত ৪ মাস আগে হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তরিকুল ইসলামের ছেলে আল-আমিনের সাথে মেয়ে শান্তার পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর মেয়ের স্বামী ও শশুর নানান অজুহাতে ধার হিসেবে মেয়ের বাবার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা নেয়। বিয়ের চার মাস পর মেয়ের বাবা টাকা ফেরত চাইলে মেয়ের স্বামী আল-আমিন ও শশুর তরিকুল ইসলাম মেয়ের উপর মানুষিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন। নির্যাতনের বিষয়টি মেয়ে তার পরিবারকে একাধিক ভাবে মুঠোফোনে জানিয়েন বলে জানান মেয়ের মা।
 
তিনি আরও জানান, ঘটনারদিন বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) মেয়ের স্বামী আল-আমিন একটি এনজিও থেকে ৫০ হাজার টাকার লোন উত্তলোন করেন। এসময় মেয়ে ওই লোন নেয়া টাকা থেকে তার বাবার পাওনা টাকা পরিশোধ করতে বলেন। এনিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বিবাধ শুরু হয়। টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে মেয়ে শান্তাকে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে মেয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে মেয়ের শশুর বাড়ির সদস্যরা তাদেরকে খবর দেন। পরে মেয়ের পরিবার স্থানীয় থানা পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে লাশ উদ্ধা করে থানায় নিয়ে যায়। মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বালে দাবী করেন মেয়ের মা রানু বেগম।
 
শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) মু. এনামূল হক জানান, এবিষয়ে গৃহবধূর পরিবার থেকে কোন অভিযোগ করা হয়নি। তবে গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার করে গতকাল শুক্রবার ভোলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রির্পোট পেলে মৃত্যুর কারন জানা যাবে।