অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৪ | ৯ই বৈশাখ ১৪৩১


নদী পথে দুর্ঘটনা ও দুর্নীতি এড়াতে ভোলা-লক্ষ্মীপুর ও বরিশালের ফেরিঘাটে বসানো হচ্ছে ওয়েব্রীজ স্কেল


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪শে মার্চ ২০২৪ রাত ১১:২০

remove_red_eye

৭৫

বিআইডব্লিটিসির চেয়ারম্যানের পরিদর্শন

অমিতাভ অপু : ভোলা-লক্ষ্মীপুর ও ভোলা-বরিশাল নদী পথে  দুর্ঘটনা ও দুর্নীতি এড়াতে  ফেরিঘাটে স্থাপন করা হচ্ছে ওয়েব্রীজ স্কেল । একই স্কেল বসানো হচ্ছে চাঁদপুর ও হরিণাঘাটে। অতিরিক্ত ওজনের পণ্য  পরিবহনকারী যানবাহন নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি ফেরিতে কত সংখ্যক যান পরিবহন হচ্ছে কম্পিউটার বেইজ ডিজিটাল অটো মেশিনারিজ সিস্টেমের এই ওজন মাপার ওয়েব্রীজ স্কেল বসানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বিআইডবিøউটিসি । ওজন ও সংখ্যা মাপার স্কেল বসানোর স্থান নির্ধারণ ও পরিদর্শনে  এসে  বৃহস্পতিবার রাতে যুগান্তরকে  এমন তথ্য জানান বিআইডবিøউটিসি’র চেয়ারম্যান ড. একেএম মতিউর রহমান। শুক্রবার সকালে তিনি ভোলার ভেদুরিয়া ফেরিঘাট ও বরিশালের লাহারহাট ঘাট পরিদর্শণ করেন। এর আগে ল²ীপুর জেলার মজুচৌধুরী ফেরিঘাট, ভোলার ইলিশা ফেরিঘাট ও নদীর গতিপথ পরিদর্শণ করেন। এ ছাড়া ভোলা-ল²ীপুর রুটে ফেরির দূরত্ব কমাতে মতিরহাট ঘাট পরিদর্শণ করেন। সার্কিট হাউজে অবস্থানকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ওই সময় দুরপাল্লার বাস মালিক পক্ষে শতাব্দী পরিবহনের প্রতিনিধি মেহেদী হাসান রুবেলসহ কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর পাশপাশি তাদের কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। চেয়ারম্যান মতিউর রহমান  জানান, সংস্থার নিয়ন্ত্রিত প্রতিটি ফেরি ও নৌযান চলাচলে লোকসান গুনতে হচ্ছে। দায়িত্ব নেয়ার পর পরিবহনে আয় বাড়ানোর পদক্ষেপও নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নিরাপদ নৌযান চলাচলে নতুন নতুন আইডিয়া যুক্ত করা হচ্ছে । প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আধুনিক নৌযানের পাশাপাশি ডিজিটাল সিস্টেমের সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বর্তমানে দেশের ২১ জেলার সহজ যোগাযোগর জন্য  ভোলা-বরিশাল ও ভোলা-ল²ীপুর ফেরি রুট গুরুত্বপূর্ন । প্রতিদিন কত সংখ্যাক যান বাহান চলাচল করছে বা কত ওজনের পণ্য যানবাহনে পরিবহন করছে, তার সঠিক তথ্য জানান সুযোগ কম থাকায় সংস্থার আয় বাড়ানো যাচ্ছে না । ওয়েব্রীজ স্কেল বসানোর পর সংস্থার আয় বাড়বে বলেও মনে করেন ওই কর্মকর্তা। ভোলা-ল²ীপুর রুটে আধুনিক মানের ফেরি দেয়া হবে বলেও জানান তিনি। বর্তমানে এই রুটে ৫টি ফেরি ও বরিশাল রুটে চলছে ৬টি।  ফেরির দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার সিহাব উদ্দিন জানান, প্রতিদিন গড়ে যাতায়াত করছে ৩শ যান। আয় প্রায় ৭ লাখ টাকা। ১২০ স্টাফ এর বেতন, জ¦ালানী ব্যয়, পরিচর্যা ব্যয় বাদে মাসে গড়ে প্রায় কোটি টাকা উদবৃত্ত আয় হয়। অপরদিকে ভোলা-ল²ীপুর রুটের ম্যানেজার পারভেজ আলম খান জানান, ওই রুটে প্রতিদিন গড়ে দুই শতাধিক যান পরিবহন করা হয়। এতে দৈনিক আয় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা। ব্যয় বাদে মাসে ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা উদবৃত্ত হয়। এমন আয় দেখা গেলেও সংস্থার চেয়ারম্যান জানান, ফেরি নির্মানের টাকা প্রতিমাসে পরিশোধ করতে হয়। ফলে বর্তমান আয় হিসেবে লোকসানই থেকে যায়। এই আয় আরো বাড়াতে হবে। বিআইডবিøউটিসির মালিকানাধিন পুরাতন বহু জাহাজ বসিয়ে রেখে প্রতিমাসে স্টাফদের বেতন গুনতে হচ্ছে। ফলে নতুন জাহাজ নির্মানের পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।  চেয়ারম্যান মতিউর রহমানের পরিদর্শণকালে উপস্থিত ছিলেন, সংস্থার পরিচালক ( কারিগরি) কাজী ওয়াসিফ আহমদ, পরিচালক ( বাণিজ্য) এসএম আশিকুজ্জামান, জিএম ( মেরিন)  ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ হাসেমুর রহমান চৌধুরীসহ স্থানীয় কর্মকর্তারা।