অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল ২০২৫ | ২০শে চৈত্র ১৪৩১


যে কারণে খালিদকে শেষ সময়ে দেখতে পারলেন না স্ত্রী-সন্তান


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯শে মার্চ ২০২৪ বিকাল ০৩:২৭

remove_red_eye

৪৩৯

আশি ও নব্বইয়ের দশকে সংগীতাঙ্গনে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী খালিদ মারা গেছেন। ৫৬ বছর বয়সেই অনন্তের পথে পাড়ি দিলেন ‘সরলতার প্রতিমা’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে’, ‘কোনো কারণেই ফেরানো গেল না তাকে’ গানের শিল্পী। মৃত্যুকালে স্ত্রী ও ছেলে জুয়াইফা আরিফসহ সহকর্মী আর অসংখ্য ভক্তদের রেখে গেলেন এই শিল্পী।

বাবার মৃত্যুর পর সাংবাদিক, উপস্থাপক তানভীর তারেকের মাধ্যমে সুদূর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন সন্তান জুয়াইফা আরিফ। সেই ভিডিওতে সদ্য প্রয়াত বাবার জন্য দোয়া চেয়ে বলেছেন, ‘আমার বাবা হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। আপনারা সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন। তাকে মাফ করে দিয়েন।’

এদিকে, সোমবার রাত ১১টার দিকে গ্রিন রোডে খালিদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সোমাবার রাতেই তার নিজ বাড়ি গোপালগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এই গায়ককে।

জানা যায়, রাত সাড়ে ৩টায় গোপালগঞ্জ শহরের বাসায় পৌঁছায় খালিদের নিথর দেহ। এর আগে সোমবার রাত ১১টায় রাজধানীর গ্রিন রোড জামে মসজিদে খালিদের প্রথম নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় শিল্প, সংস্কৃতিসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।

এসময় খালিদের ভগ্নিপতি জানান, মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) যোহর নামাজের পর গোপালগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ প্রাঙ্গণে হবে খালিদের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর শহরের গেটপাড়ার গোরস্থানে দাফন করা হবে তাকে।

তিনি আরও জানান, খালিদের স্ত্রী এবং ছেলে যুক্তরাষ্ট্রে। তারা আসবে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ধর্মীয় মত অনুসারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দাফন সম্পন্ন করাটাই শ্রেয়, সবার মতামত এমনটাই। তাই মঙ্গলবার দুপুরেই খালিদের দাফনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। গোপালগঞ্জে খালিদের বড় ভাই আছেন, তিনিই সব প্রস্তুত করছেন।

প্রসঙ্গত, সোমবার সন্ধ্যার পর গ্রিন রোডের বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন খালিদ। এরপর দ্রুত গ্রিন রোডের কমফোর্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর সাড়ে ৭টায় খালিদকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। জানানো হয়, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মারা গেছেন তিনি।

 

সুত্র জাগো

 





আরও...