অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৪ | ৯ই বৈশাখ ১৪৩১


সামান্য বৃষ্টিতে ডুবে যায় ইলিশা পুলিশ ফাড়িসহ জংশন বাজার


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ই মার্চ ২০২৪ বিকাল ০৩:৩৮

remove_red_eye

৪৮

শফিক খাঁন : ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে মুল ফটকসহ জংশন বাজার  মাত্র এক ঘণ্টার বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায়।  ভোলা লক্ষীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কটি সংস্কার কাজের পরে সড়কের মাঝখান উঁচু ও দুপাশ ঢালু হওয়ার কারনে এমন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন ব্যাবশায়িরা।  
১৪ ই মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত উত্তর ভোলার ইলিশা জংশন বাজারের মধ্যকার  সড়কটি বৃষ্টির  পানিতে  তলিয়ে যায়।
আঞ্চলিক মহাসড়কটির কোথাও কোথাও জমে ছিল ১ থেকে দেড় ফুট পানি। ফলে এলাকাবাসী ও উত্তর ভোলার সুনামধন্য জংশন বাজারের ব্যাবসায়িদের  দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। গত বৃহস্পতিবার ১৪ মার্চ  জংশন  এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সড়কের পাশে জমে থাকা  পানি মিলেমিশে একাকার। স্থানীয় মানুষদের এই নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সড়কের পাশের  দোকানের ভেতরও ঢুকতে হচ্চে ময়লা পানি পায়ে লাগিয়ে।
জংশন বাজারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজার।  বাজারের সন্নিকটে রয়েছে ভোলার প্রবেশদ্বার ইলিশা ফেরি ঘাট ও লঞ্চঘাট । তবে এখানে প্রতিদিনই প্রায়  ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে   খাবারের দোকানগুলো। বৃষ্টির জমে থাকা পানি পদদলিত করেই খাবারের দোকানে প্রবেশ করতে হয় যাত্রী ও সাধারণ ক্রেতাদের।
বাজারে মাছ কিনতে আশা হাফিজ মিয়া বলেন সামান্য বৃষ্টিতে হাটু পরিমান পানি জমে গেছে ,মাছ বাজারে ঢুকতে হাটুপরিমান পানি মাড়াতে হয়।
এটা আমাদের জন্য একটা ভোগান্তি, সড়কটি সংস্কারের সময় একটি ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা উচিত ছিল।
প্রতিবেদনের জন্য ছবি তোলার সময় স্থানীয় বাজারের ঘর মহাজন ইকবাল হোসেন রাজু  প্রতিবেদককে বলেন, বিভিন্ন সময় সড়কের উচ্চতা ও প্রসস্ত বাড়ানোর  ফলে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা জংশন বাজারের  অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সড়ক থেকে কিছুটা দুরে নির্মান করায় ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান সড়কের চাইতে উচু এবং বেশিরভাগ ঘর  নিচু হয়ে গেছে। তাই জলাবদ্ধতা হলে তাঁদের নানা দুর্ভোগে পড়তে হয়। সাধারণ মানুষদেরও এতে ভোগান্তি হয়।
আমরা চাই জলাবদ্ধতা নিরসনে অতি দ্রুত একটি ড্রেনের ব্যাবস্থা করা হোক।
এ বিষয়ে ইলিশা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ছোটন বলে জংশন উত্তর ভোলার একটি জনগুরুত্বপূর্ণ বাজার এ বাজারের পানি নিস্কাসনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা অতীব জরুরী, আমি ইতিমধ্যে সড়কটি সংস্কারকাজ বাস্তবায়নকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করেছি সড়কের সাথে কেন  ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হয়নি আমি অতিদ্রুত সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য ব্যাবস্থা জোরদার করার চেস্টা করবো।
ভোলা সওজ নির্বাহী  প্রকৌশলী  মোঃ নাজমুল ইসলাম কে একাধিক বার কল করলে কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পেশ করা সম্ভব হয়নি।