অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ৮ই জুলাই ২০২৬ | ২৪শে আষাঢ় ১৪৩৩


বঙ্গবন্ধু অবিচার ও অসমতা মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন : আইনমন্ত্রী


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:২১

remove_red_eye

৩৪৫

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অবিচার ও অসমতা মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন।
আজ রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে "স্ট্রেংদেনিং ক্যাপাসিটি অব জুডিসিয়াল সিস্টেম ফর চাইল্ড প্রোটেকশন ইন বাংলাদেশ" শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় "শিশু সংবেদনশীল আদালত কক্ষ’’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রধান বাহক ছিলেন। তিনি গণতান্ত্রিক সমাজের ভিত্তি হিসেবে স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি তিনি সমাজের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার লাভের সুযোগ নিশ্চিত করতে আইনি সহায়তা প্রদানের গুরুত্ব অনুধাবন এবং সমাজে অবিচার ও অসমতা মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ন্যায়বিচার ও সমতার নীতির প্রতি বঙ্গবন্ধুর অতুলনীয় দূরদৃষ্টি, সাহস ও নিষ্ঠা বাঙালি জাতির অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথপ্রদর্শক। বঙ্গবন্ধু প্রথমেই নব্য স্বাধীন দেশের আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন যাতে সকলের নাগরিক অধিকার সু-প্রতিষ্ঠিত হয় ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।
আইনমন্ত্রী বলেন, নতুন অভিযাত্রায় বঙ্গবন্ধু বিশ্বমানের একটি সংবিধান প্রণয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন এবং মাত্র ১০ মাসের মধ্যে তা সম্ভব করে তুলেছিলেন। এই সংবিধানে গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের নীতি নির্ধারণ করা হয়, যা দেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থার শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করে।
মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে বঙ্গবন্ধু সংবিধান প্রণয়ন ছাড়াও সকল নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন আইনের সংস্কার ও নতুন নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক  বলেন, শিশুদের নাগরিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য এবং সাংস্কৃতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ প্রণয়ন করা হয়। এরও ১৫ বছর আগে ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শিশু আইন প্রণয়ন করেন যা বাংলাদেশে শিশু অধিকার ও শিশু সুরক্ষার ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।
আনিসুল হক বলেন,  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিশুদের কল্যাণে যুগান্তকারী বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে অতুলনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে ২০১৩ সালে শিশু আইন প্রণয়ন করা হয়, যা শিশুদের সুরক্ষা, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য একটি আইনি কাঠামোর ভিত্তি স্থাপন করেছে। শিশুদের কল্যাণ ও সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর অক্লান্ত প্রচেষ্টা আমাদের সকলের নিকট অনুসরণীয় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাঁর সরকারের আমলে প্রণীত শিশু আইনের বিভিন্ন ধারায় আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশু, আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু  ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুর অধিকার রক্ষাসহ শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ গ্রহণের কার্যকর বিধান সন্নিবেশ করা হয়েছে। এই আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণে পর্যাপ্ত লজিস্টিক সাপোর্ট, পৃথক আদালত কক্ষ, উপযুক্ত  পরিবেশ এবং প্রশিক্ষিত জনবল প্রয়োজন। একই সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রাসঙ্গিক জ্ঞান ও দক্ষতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
আনিসুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশে শিশু বিচার ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানদন্ডে উন্নীত করতে চায়। সেজন্যই আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় শিশু বিচার ব্যবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
আইনমন্ত্রী আরো বলেন, নতুন সংস্কারকৃত শিশু আদালতসমূহ যাতে সেখানে আনীত শিশুদের যতœ, পরিচর্যা, সুরক্ষা, অংশগ্রহণ, তাদের মতামত গ্রহণ সহ সকল প্রকার শিশু অধিকার নিশ্চিত করতে পারে, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তবেই অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব।  
অনুষ্ঠানে ইউনিসেফ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ শেলডন ইয়েট তার বক্তৃতায় বলেন, সুরক্ষা ও পরিচর্যার প্রয়োজন রয়েছে এমন সকল শিশুর ক্ষেত্রে অপ্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার প্রয়োগে ইউনিসেফ বিশ্বাস করে। আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশুদের স্বাধীনতা হরণ এবং আটকাবস্থা শুধুমাত্র শেষ উপায় এবং যতটা সম্ভব কম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।
আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ইউনিসেফ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ শেলডন ইয়েট, প্রকল্প পরিচালক শেখ হুমায়ুন করীর বক্তৃতা করেন।

 

সুত্র বাসস





রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

ইতিহাস চর্চাই জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি : ডেপুটি স্পিকার

ইতিহাস চর্চাই জাতির আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি : ডেপুটি স্পিকার

২০৪০ সালে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের লক্ষ্য সরকারের : জ্বালানি মন্ত্রী

২০৪০ সালে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের লক্ষ্য সরকারের : জ্বালানি মন্ত্রী

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান পেলেন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান পেলেন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে যুবদলের ৩০০ নেতাকর্মী বহিষ্কার

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে যুবদলের ৩০০ নেতাকর্মী বহিষ্কার

টানা বৃষ্টির ভোগান্তি আর কতদিন?

টানা বৃষ্টির ভোগান্তি আর কতদিন?

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা বিনামূল্যে করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা বিনামূল্যে করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

ভিসা পলিসি চূড়ান্তে ৮ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

ভিসা পলিসি চূড়ান্তে ৮ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

প্রধানমন্ত্রীর ওপর সন্তুষ্ট দেশের ৭৫.৩ শতাংশ মানুষ: জরিপ

প্রধানমন্ত্রীর ওপর সন্তুষ্ট দেশের ৭৫.৩ শতাংশ মানুষ: জরিপ

আরও...